

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় সেচ কাজের সুবিধার্থে খাল পুন:খননের কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কৃষকরা আবারো নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। বিশেষ করে ইরি-বোরো মৌসুমে এর ফলে জমিতে সেচকাজ পরিচালনা সহজলভ্য হবে বলে মনে করছেন কৃষকরা।
জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কৃষি মন্ত্রনালয়ের আওতায় কুমিল্লা-চাঁদপুর-ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা সেচ এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পালাখাল মডেল ইউনিয়নের মনসামূড়া সুন্দরী খালের ১.৭ কিলোমিটার দৈঘ্যের পুন:খনন কাজ শুরু হয়। যার ৮মিটার প্রস্থ ও ৩ মিটার গভীরতা হবে। এছাড়াও ওই ইউনিয়নের মনসামূড়া মন্দির থেকে পালাখাল পর্যন্ত খাল পুন:খননের কাজ শুরু করা হয়েছে।
ভূঁইয়ারা গ্রামের কৃষক সফিউল্যাহ,ফারুক মিয়া,জমির হোসেন ও কবির হোসেন জানান, এই জনগুরুত্বপূর্ণ খালের পানির ওপর এখানকার ইরি-বোরো ব্লকের প্রায় এক হাজার একর জমি নির্ভরশীল। এই খালটি কখনও পুনঃখনন করা হয়নি। ফলে খরস্রোতা খালটি দুইপাশের মাটি জমে মরে যায়। পানির অভাবে অনেক জমির বোরো চাষাবাদ বন্ধ হয়ে গেছে। খালটি পুন:খননে কাজ শুরু করায় খুশি তারা।
ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান জয় বলেন,এ অঞ্চলের কৃষকরা রবি শস্যের পাশাপাশি বোরো ও সবজির আবাদ করে বেশি। তাই পানির পরিমান বেশি প্রয়োজন। খালটির নাব্যতা সংকটের কারণে চাষীরা চরম সংকটের মধ্যে দিন পার করছিলেন। তবে, খাল খনন হয়ে গেলে ও পানির প্রবাহ ঠিক থাকলে আগামীতে আবারও ক্ষেতগুলো বছরজুড়ে ফসলে ভরে থাকবে। কৃষকের মুখেও হাসি ফুটবে। দীর্ঘদিন পরে হলেও বর্তমান সরকারের মহতী উদ্যোগে খালটি পুনঃখননের কাজ শুরু করা হয়েছে। খাল খননের ফলে পাঁচ শতাধিক কৃষক উপকৃত হবেন বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
কুমিল্লা বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুবায়েত ফয়সাল আল মাসুম বলেন,এ খাল খননের মাধ্যমে কৃষকরা প্রধান প্রধান শস্য (রবিশস্য) গুলো আছে সেগুলো পানি সেচের প্রয়োজন হয় এটা কৃষকরা সহজেই পাবে। তাছাড়া আমন মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের অভাবে অনেকে দেরীতে আমন চাষ করে থাকেন কিন্তু খাল খননের পলে সহজেই পানিগুলো সরে যাবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান বলেন, এ খালের প্রায় ১. ৭ কি.মি. দৈঘ্য যার ৮ মিটার প্রস্থ ও ৩ মিটার গভীরে খালটি সুন্দরী খালের সাথে সংযোগ হবে। দীর্ঘদিও ধরে চরতে থাকা কৃষকের কান্নার আরেকনাম জমিতে জলাবদ্ধতা সেটি নিরসন হবে। পাশাপাশি খালের পানির পর্যাপ্ততা এবং প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেবে। সেচ কাজের জন্যে ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলনের নির্ভরতা কমবে। উপকৃত হবে কৃষক পরিবার ও বৃদ্ধি পাবে কৃষির আবাদ।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামসহ ১ ব্যক্তিকে আটক করেছে র্যাব।
শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে র্যাব ১১ এর এএসপি (মিডিয়া অফিসার) সনদ বড়ুয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আড়াইহাজারের ঝাউগরা এলাকার মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে আটককৃত আলী হোসেন (৪৫)।
র্যাব জানায়, মো. আলী হোসেন অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ী। তার বাড়ির ছাদের সিঁড়ি সংলগ্ন ১টি কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। আড়াইহাজার থানার পৌরসভার ঝাউগরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় তাকে।
র্যাব জানায়, পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আটককৃত আলী হোসেনকে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অভিযানে অবৈধ ২১টি ভিওআইপি সিমবক্স, ২টি ল্যাপটপ, ১টি সিপিও, ২টি আইপিএস, ২টি আইপিএসের ব্যাটারি, ২টি ইউপিএস, ২টি রাউটার, ৪টি রাউটার সুইচ, ৩ হাজার ২৬৮ পিস সিমকার্ড, বিভিন্ন ধরনের ২০টি ক্যাবল, দুটি হার্ডডিক্স, ৩টি র্যাম, ১টি মোবাইল ও ৫টি মডেম উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, আটককৃত ব্যক্তি অবৈধভাবে ও সরকারি অনুমোদন ছাড়া ভিওআইপি সিমবক্স ও ভিওআইপি সরঞ্জামাদি নিজ বাসার কক্ষে স্থাপন করে বাংলাদেশ ও বহিবিশ্বে যোগাযোগের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা সরকারি রাজস্ব কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে টাকা উপার্জন করে আসছিলেন।
র্যাব আরও জানায়, আটককৃত আলী হোসেন ভিওআইপির মাধ্যমে অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক কল রাউট করতেন। তিনি টেলিযোগাযোগ সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের রাজস্ব ও চার্জ ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে যান্ত্রিক, ভার্চ্যুয়াল ও সফটওয়্যার ভিত্তিক কৌশল অবলম্বন করে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও রিচার্জ সেবা দিয়ে আসছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে বিটিআরসির চোখ ফাঁকি দিয়ে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে অবৈধ টেলিযোগাযোগ সেবা দিয়ে যাচ্ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জয়পুরহাটের পাঁচবিবি
উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সোমবার (৭ আগস্ট) বগুড়া পৌর শহরের বটতলী
এলাকা থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
এক
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৫ জয়পুরহাটের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: জয়পুরহাটের
পাঁচবিবি উপজেলার ছোট মানিক গ্রামের পাঞ্জাবের ছেলে বায়োজিদ হোসেন (২৩) এবং নওগাঁর
বদলগাছি উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে হাসনাইন হোসেন তমাল (২০) ।
র্যাব- ৫ জয়পুরহাট
ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক সহকারী পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, গত
২ আগস্ট বিকেল চারটায় তমাল এক ছাত্রীকে দেখা করার কথা বলে হিলি থেকে পাঁচবিবি পৌর
পার্কে নিয়ে আসে। মেয়েটি দেখা করতে এলে তমাল সন্ধ্যা ৭টায় বায়োজিদ ও অজ্ঞাত
কয়েকজনের সহযোগিতায় মেয়েটিকে পাঁচবিবি পৌর শহরের নওদাপাড়া এলাকার একটি নির্জন
বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে রাত গভীর হলে মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে তমাল। এক পর্যায়ে
অজ্ঞান হয়ে যায় মেয়েটি। সকালে জ্ঞান ফিরলে আসামিরা মেয়েটিকে গাড়িতে করে বাসায়
পাঠিয়ে দেয়।
মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে
পরিবারকে ঘটনার বিস্তারিত বললে মেয়েটির পরিবার রোববার (৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায়
পাঁচবিবি থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায়
আসামিদের গ্রেফতার করতে জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় র্যাব-৫।
এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে
বগুড়া চলে যায়। পরে দুইজনকে বগুড়ার বটতলী থেকে সহযোগীসহ মূল আসামিকে গ্রেফতার করতে
সক্ষম হয় র্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের সদস্যরা। পাঁচবিবি থানায় জিডি মূলে হস্তান্তর
করা হয় গ্রেফতারকৃদের।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৩২ কেজি গাঁজা, ১৮০ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ডভ্যান গাড়ি সহ
২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
শনিবার
(১৮/১১/২০২৩) বিকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলার
সকল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা সদর
দক্ষিণ মডেল থানাধীন ঢাকা টু চট্টগ্রামগামী মহাসড়কের ধনাইতরী সাকিনস্থ জনৈক নিজাম উদ্দিন
এর ইট ভাটার সামনে পাকা রাস্তার উপর চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে একটি কাভার্ডভ্যান গাড়ী
থামানোর জন্য সংকেত দিলে গাড়ীটি থামায়। পরবর্তীতে উক্ত কাভার্ডভ্যান গাড়ীটি তল্লাশী
করে গাড়ীর ভিতর হতে ৩২ কেজি গাঁজা ও ১৮০ বোতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ বিল্লাল
হোসেন রনি ও মোঃ রাকিব হোসেন রকিব কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১।
মোঃ বিল্লাল হোসেন রনি (২৬), পিতা-মোঃ মতিউর রহমান, মাতা-রেহেনা বেগম, গ্রাম-শৌলমারী
(খান বাড়ী), থানা-ঝিনাইদহ সদর, জেলা-ঝিনাইদহ, বর্তমানে-পঞ্চবটি (হাজী বাড়ীর ভাড়াটিয়া),
থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ, ২। মোঃ রাকিব হোসেন রকিব (২৪), পিতা-মৃত আবুল কাশেম,
মাতা-হনুফা বেগম, গ্রাম-মিয়া বাজার, রামচন্দ্রপুর (সর্দার হাজী বাড়ী), থানা- চৌদ্দগ্রাম,
বর্তমানে গ্রাম-ভাটপাড়া (মন্দার বাড়ী), নানা-মৃত মন্দার, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে আটজনকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
মঙ্গলবার (৬ জুন ২০২৩ইং) দুপুরে র্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) মো. আবু সালাম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আটককৃতরা হলেন- আব্দুল আমিন, হোসেন আহমেদ, নুর হুদা, ইব্রাহিম, মোহাম্মদ সলিম, হামিদ উল্লাহ, মোহাম্মদ সালেহ ও ফায়েজুল আমিন। উখিয়ার ৪, ১৩ ও ১৯ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা তারা।
মো. আবু সালাম চৌধুরী বলেন, ক্যাম্পের অপরাধীদের গ্রেফতারে সোমবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় অভিযানে যায় র্যাব-১৫, ৮ এবং ১৬ এপিবিএন। উখিয়ার ৪, ১৪ ও ১৯ নম্বর ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার এবং উখিয়া থানায় হত্যা ও অপহরণসহ একাধিক মামলা আছে। উখিয়া থানায় তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (১২ ফেব্রুয়ারী) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বাশঁমঙ্গল চৌমুহনী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ পাভেল মিয়া কে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আমড়াতলী গ্রামের মোঃ জামাল মিয়া এর ছেলে মোঃ পাভেল মিয়া (২৯)।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুর
জেলার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামী রেশমা আক্তার (২২) কে চট্টগ্রাম মহনগরীর
বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
ভুক্তভোগী
ভিকটিম নিহত আনোয়ার হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানাধীন লাহারকান্দি ইউপিস্থ কুতুবপুর
গ্রামের বাসিন্দা। পারিবারিক জমিজমা ভাগাভাগি নিয়ে নিহতের পরিবার এবং তার ভাইয়ের পরিবারের
মধ্যে পূর্ব হতে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত জমিজমার বিষয় নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক
হয় কিন্তু নিহত ভিকটিমের ভাইয়ের পরিবার উক্ত সালিশ না মেনে প্রায় সময়ই নিহতের পরিবারকে
প্রাণে হত্যা করার হুমকি দিয়ে আসছিল। উক্ত হত্যার ঘটনায় বাদী এবং বিবাদী একই পরিবারের
সদস্য হওয়ায় তারা একই রাস্তা দিয়ে চলা করত। ঘটনার দিন বিবাদী মাহমুদ রোমান একটি সিএনজি
যোগে রাস্তা দিয়ে বাড়ি আসার সময় ভুক্তভোগী ভিকটিম নিহত আনোয়ার হোসেন এর ছেলে বেল্লাল
হোসেনকে দেখতে পেয়ে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে। তখন বেল্লাল হোসেন মাহমুদ
রোমানকে গালমন্দ না করার জন্য অনুরোধ করেন কিন্তু এতে মাহমুদ রোমান তার উপর ক্ষীপ্ত
হয়ে উঠে। একপর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে বিবাদীর পরিবারের সবাই লোহার রড, ইট, লাঠি
এবং দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পরস্পর যোগসাজসে বেল্লাল হোসেন এর শরীরের বিভিন্ন
স্থানে আঘাত করে এতে বেল্লাল হোসেন রক্তাক্ত ও গুরুত্বর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে
এবং চিৎকার করতে থাকে। এসময় ছেলের চিৎকার শুনে বাবা আনোয়ার হোসেন ঘটনা স্থলে পৌছে ছেলেকে
রক্তাক্ত ও গুরুত্বর জখম অবস্থায় দেখে বিবাদীদেরকে মারাধোর করতে বাধা দেয়। তখন ধৃত
আসামী রেশমা আক্তার ইট দিয়ে আনোয়ার হোসেনের বুকের উপর উপর্যপুরি আঘাত করলে সেও রক্তাক্ত
ও গুরুত্বর জখম অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পরে তখন বিবাদীরা সবাই ঘটনাস্থান থেকে পালিয়ে
যায়।
পরবর্তীতে
স্থানীর লোকের সহযোগীতায় রক্তাক্ত ও গুরুত্বর জখম অবস্থায় আনোয়ার হোসেন এবং তার ছেলে
বেল্লাল হোসেনকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আনোয়ার হোসেনের
অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়ার
জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। গত ২৩ জুলাই ২০২৩ইং তারিখ আনোয়ার হোসেনকে মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে
নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলে পথিমধ্যে বুকের ব্যাথায় ছটপট করতে থাকলে তাৎক্ষণিক
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক গত ২৪ জুলাই ২০২৩ইং তারিখ আনোয়ার
হোসেনকে মৃত ঘোষনা করেন। এই ঘটনায় গত ২৫ জুলাই ২০২৩ইং তারিখ নিহতের সন্তান বাদী হয়ে
লক্ষ্মীপুর জেলার লক্ষ্মীপুর মডেল থানায় ৫ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামী করে
একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-৫৬ তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৩ইং, ধার-১৪৩/৪৪৭/৩২৩/
৩২৫/ ৩০৭/৩০২/৩৭৯ পেনাল কোড ১৮৬০।
এরই
প্রেক্ষিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে, উক্ত মামলার এজাহারনামীয়
অন্যতম পলাতক আসামী রেশমা আক্তার (২২) আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট গ্রেফতার
এড়ানোর লক্ষ্যে লক্ষ্মীপুর থেকে এসে চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় অবস্থান
করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৫ আগষ্ট ২০২৩ ইং তারিখ র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি
আভিযানিক দল উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার এজাহারনামীয় অন্যতম প্রধান
পলাতক আসামী রেশমা আক্তারকে আটক করে। আটককৃত আসামী হলো: রেশমা আক্তার (২২), পিতা- এনায়েত
উল্ল্যাহ, সাং- কুতুবপুর, থানা- সদর, জেলা- লক্ষ্মীপুর।
গ্রেফতারকৃত
আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি যাতে সন্ত্রাসীরা করতে না পারে সেদিকে কঠোর নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।
আজ রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন নবনিযুক্ত ডিএমপি কমিশনার।
কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভা, মিট দ্যা প্রেস আয়োজন করে ডিএমপি।
ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র রাজধানীতে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি হয়ে থাকে। আসছে নির্বাচনে যাতে কেউ বা কোনো সন্ত্রাসীগোষ্ঠী অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি করতে না পারে। অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি বন্ধ করতে ডিএমপির পুলিশ সদস্যদের যথেষ্ট সাহস ও শক্তি রয়েছে। রাজধানীকে নিরাপদ রাখতে যা যা করা প্রয়োজন সবকিছুই করবে ডিএমপি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকা হতে ১৬ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৯ নভেম্বর বুধবার বিকালে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার দেউষ গ্রামের মোঃ রওশন আলী এর ছেলে মোঃ বাদরুদ্দোজা (৫০)।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


একযোগে
বাংলাদেশের ২০০ এর বেশি সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’। আজ (১৩
অক্টোবর) থেকে ছবিটি বিভিন্ন সিনেমা হলে দেখানো হবে।
বাংলাদেশ-ভারত
যৌথ উদ্যোগে নির্মিত ‘মুজিব-মেকিং অব নেশন’ বায়োপিকটি ২৭ অক্টোবর ভারতে মুক্তি পাবে।
এরই মধ্যে ২টি দেশেই ছবিটি সেন্সর বোর্ড থেকে সার্টিফিকেট পেয়েছে। ২০২২ সালের ১৯ মে
ফ্রান্সে ৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবকালে ছবিটির প্রাথমিক ট্রেলার মুক্তি পায়। ছবির শুটিং
ভারতের মুম্বাইতে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয়। শেষ হয় একই বছরের ডিসেম্বর।
বাংলাদেশের
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ১ অক্টোবর মুজিব বায়োপিকের চূড়ান্ত ট্রেলার
আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এছাড়া ১৪ সেপ্টেম্বর কানাডায় ৪৮তম টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল
ফিল্ম ফেস্টিভালে চলচ্চিত্রটির প্রথম প্রদর্শনী হয়।
বায়োপিকে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের শিল্পী আরিফিন শুভ
এবং বঙ্গবন্ধু পত্নী শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ
তিশা। শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া।
জনপ্রিয়
অভিনেতা তৌকীর আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, প্রার্থনা দীঘি ও অন্যরা বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয়
করেছেন।
ছবিটির
সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন প্রখ্যাত ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক শান্তনু মৈত্র এবং বাংলাদেশ
থেকে বাংলা সংলাপ লিখেছেন সাধনা আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন সেলিম, শিহাব শাহীন ও আনাম বিশ্বাস।
বাংলাদেশ
ফিল্ম আর্কাইভে বায়োপিকটির প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
গতকাল আগারগাঁওয়ে এটি দেখেছেন। প্রিমিয়ার শো দেখার আগে শেখ হাসিনা বলেছেন, বহু প্রতীক্ষিত
এ বায়োপিকটির মাধ্যমে জাতি অনেক অজানা তথ্য ও ইতিহাসের নতুন অধ্যায় সম্পর্কে জানবে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যার পর তার নাম মুছে ফেলার বহু চেষ্টা করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার অনেক চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু, এটা প্রমাণিত যে,
ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১,
সিপিসি-২, কুমিল্লা ও র্যাব-১৩, সিপিএসসি রংপুর এর যৌথ অভিযানে বহুল আলোচিত লালমনিরহাট
জেলার কালীগঞ্জ থানার পূর্ব দুহুলী গ্রামের বাসিন্দা তাইজ উদ্দিন হত্যাকান্ডের ০৪ জন
পলাতক আসামি গ্রেফতার।
গত
০১ আগস্ট ২০২৩ তারিখ লালমনিরহট জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন পূর্ব দুহুলী গ্রামস্থ ভিকটিম
মোঃ তাইজ উদ্দিন (৩০) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত
হলে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের মাধ্যমে জানা যায় যে,
লালমনিরহাট জেলা কালীগঞ্জ থানার পূর্ব দুহুলী গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম মোঃ তাইজ উদ্দিন
(৩০) এর সাথে গ্রেফতারকৃত আসামিদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলতে থাকে।
এরই
জের ধরে গত ০১ আগস্ট ২০২৩ তারিখ ভিকটিম টিসিবির মালামাল আনার জন্য লালমনিরহট জেলার
কালিগঞ্জ থানাধীন দুহুলী জোড়া বাজারে যাওয়ার পথে আগে থেকেই ওতপেতে থাকা আসামিগণ লাঠিশোঠা
ও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ভিকটিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো দা দিয়ে নির্মমভাবে মাথায়
আঘাত করে। এর ফলে ভিকটিমের মাথার উপরিভাগ কেটে যায় এবং ভিকটিম রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে
লুটিয়ে পড়লে অন্যান্য আসামীগণ মৃত্যু নিশ্চিত করতে লাঠিশোঠা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি
শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম করে। ভিকটিমকে বাঁচানো উদ্দেশ্যে আশেপাশে থাকা আত্মীয়
স্বজন এগিয়ে আসলে আসামিগণ তাদেরকেও এলোপাতাড়ীভাবে মারধর করে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে
এলাকাবাসী ভিকটিমসহ অন্যান্য আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে প্রেরন করে।
ভিকটিম
মোঃ তাইজ উদ্দীন(৩০)সহ আহত আরও দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় হাসপাতালের কর্তব্যরত
চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন থাকাকালীন ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ০২ আগস্ট ২০২৩ ইং তারিখে
ভিকটিম মোঃ তাইজ উদ্দীন(৩০) মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে লালমনিরহাট
জেলার কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত
ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে
র্যাব-১১, কুমিল্লা ও র্যাব-১৩, রংপুর এর একটি আভিযানিক দল গত ২০/০৮/২০২৩ ইং তারিখ
রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত
অভিযানে এই হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১, ২, ৩ ও ৪ নং আসামী ১। মোঃ আব্দুল করিম (৪৫),
পিতা-মৃত নজর আলী, ২। মোঃ জুয়েল মিয়া (৩৬), পিতা-মৃত একাব্বর আলী, ৩। মোঃ আল আমিন
(২৪), পিতা-মোঃ আব্দুল করিম এবং ৪। মোঃ জাকির হোসেন বাদশা (২৮), পিতা-মোঃ কাইয়ুম মিয়া,
সর্ব সাং-পূর্ব দুহুলী, থানা-কালীগঞ্জ, জেলা-লালমনিরহাটদের’কে গ্রেফতার করা হয়।
উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত
আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ থানায়
হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন