

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বুধবার (২২ জানুয়ারি) বেশ কিছু পণ্য ও সেবার ওপর থেকে বাড়তি মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চিকিৎসা সেবা আরও সহজলভ্য করতে ওষুধ শিল্পের ওপর ব্যবসায়িক পর্যায়ে যে ভ্যাট বৃদ্ধি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে আগের অবস্থায় আনা হয়েছে। এখন থেকে এই খাতে দুই দশমিক চার শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে।
ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে মোবাইল ফোনের সিম ও রিম কার্ড এবং ইন্টারনেট সেবার ওপর থেকে সম্পূরক শুল্ক সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একইভাবে, রেস্তোরাঁর খাবারের দাম সাধারণ মানুষের নাগালে রাখতে তিন-তারকা, চার-তারকা ও পাঁচ-তারকা হোটেল ব্যতীত সব রেস্তোরাঁয় আরোপিত ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এছাড়া, মোটরগাড়ির গ্যারেজ ও ওয়ার্কশপ, এবং নিজস্ব ব্র্যান্ডের তৈরি পোশাক বাদে অন্য পোশাক বিপণনে আরোপিত অতিরিক্ত ভ্যাট সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়েছে।
নন-এসি হোটেল, মিষ্টির দোকান এবং নিজস্ব ব্র্যান্ডের তৈরি পোশাক বিপণনের ক্ষেত্রে ভ্যাটের হার কমিয়ে ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির কারণে শতাধিক পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। ভ্যাট বৃদ্ধির সমালোচনা করেন অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটির প্রধান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এবং জাতীয় নাগরিক কমিটিও।
মন্তব্য করুন


দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব সৃষ্টিকারী ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিরুদ্ধে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
রোববার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, আপনারা জানেন এ বছর সারাদেশে পূজা মণ্ডপের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৫৫টি। এটা গতবারের চেয়ে প্রায় এক হাজার বেশি। পূজার নিরাপত্তার স্বার্থে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তারা দুই অক্টোবর পর্যন্ত মোট নয় দিন এ দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারাদেশে প্রায় এক লাখ সেনা সদস্য নিয়োজিত থাকবে। সারাদেশে প্রায় ২৪টি বেস ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারাদেশে বিজিবির ৪৩০ প্লাটুন কাজ করছে। ২ লক্ষ ৩ হাজার ৫৬৪ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি পূজা মণ্ডপে কমিটির সাতজন সদস্য পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া নিরাপত্তায় স্বেচ্ছাসেবীদের এনটিএমসির অ্যাপের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রায় ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পূজায় সারাদেশে ৭০ হাজারের মতো পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। পুলিশ এবং আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গতবারের ন্যায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পূজা মণ্ডপে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব সৃষ্টিকারী ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিরুদ্ধে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গাতেই গুজব ছড়ানো হচ্ছে। সেদিন কালিমন্দির পরিদর্শন করতে গিয়ে কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, তারাও এরকম গুজবের খবর পেয়েছেন।
পূজা উপলক্ষ্যে কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই। এবার যেহেতু পূজা মণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে, সেহেতু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংখ্যা বেড়েছে। এবার পূজা অবশ্যই ভালো হবে। আমি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছি, কোথাও কারও মধ্যে কোনো শঙ্কা দেখিনি। কিছুসংখ্যক ফ্যাসিস্টের দোসর আছে, তারাই এসব প্রচার করে।
মন্তব্য করুন


আমরা আস্থার জায়গায় কেউ নেই, এটি জাতীয় সংকট বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ইসি আনোয়ারুল বলেন, সবচেয়ে মুশকিল হয়ে গেলো কী- আমি, আপনি, আপনারা সবাই মিলে কেউ কিন্তু আস্থার জায়গায় নেই। আমি আস্থার জায়গায় আছি, এই দাবি করি না। এই যে আস্থার সংকট, এটা আমাদের জাতীয় সংকট। আমি বিচ্ছিন্নভাবে বলতে পারবো না যে অমুকে খারাপ, আমি ভালো। আর আপনিও বলতে পারবেন না যে আমি খারাপ, আপনি ভালো।
তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ্য থেকে বলা হচ্ছে আস্থা পুনরুদ্ধার। সেই আস্থা পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রফেশন, প্রতিটি পেশার সঙ্গে আমাদের ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। সবাই সবার প্রফেশনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, এই যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা-বিশ্বাস, এটা যেন থাকে। ভালো নির্বাচন করতে পরস্পরকে সহায়তা করতে হবে।
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আমাদের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের স্বার্থে ২৪ ঘণ্টা জড়িত থাকেন সাংবাদিকরা। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি আপনাদের যেই নীতিমালার খসড়া দিয়েছেন, এটি যদি আমরা আগে পেতাম তাহলে হয়তো ভালো হতো। আমি বিশ্বাস করি, প্রত্যেকটা বিষয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা দরকার রয়েছে, আপনাদের দিক থেকেও আমাদের সহযোগিতা করুন। বাস্তবতার নিরিখে যার যার অবস্থান থেকে যেন আমরা একটা ভালো নির্বাচন করতে পারি সেজন্য পরস্পরকে সহযোগিতা করবো।
‘আমার মনে হয় যে এটি নিয়ে আরও আলোচনা পর্যালোচনা, বিশ্লেষণ আপনাদের অভিজ্ঞতা, আমাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় দরকার। মূল উদ্দেশ্য যেহেতু আমাদের সবার একটাই, আমার মনে হয় যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এগুলো পরে সমাধান করা যায়।’
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাসুদ, বেগম তাহমিদা আহমদ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, আরএফইডি’র সভাপতি কাজী জেবেল, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০০টি সংসদীয় আসনের সীমানার গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে ১০টি সংসদীয় আসনের সীমানা পরিবর্তন করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জুন) বিজি প্রেস থেকে সংসদীয় আসনের গেজেট ছাপানো হয়েছে।
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলমের গত বৃহস্পতিবার (১ জুন) স্বাক্ষরিত গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন সীমানা নির্ধারণ আইনের ধারা ৬ এর উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী দাবি/আপত্তি/সুপারিশ/ মতামত দরখাস্তসমূহের তথ্যাবলী পর্যালোচনা করে এবং শুনানিকালে উপস্থাপিত তথ্য ও যুক্তিতর্ক বিবেচনান্তে প্রাথমিক তালিকায় প্রকাশিত নির্বাচনি এলাকার প্রয়োজনীয় সংশোধন করে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের পুনর্নির্ধারিত সীমানার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করল।
সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হলো যেসব আসনের
পিরোজপুর-১ : এ আসন আগে পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলা নিয়ে গঠিত ছিল। এখন নেছারাবাদ উপজেলা বাদ দিয়ে এই আসনে ইন্দুরকানী উপজেলাকে যুক্ত করা হয়েছে।
পিরোজপুর-২ : ইন্দুরকানী উপজেলা আগে পিরোজপুর-২ আসনের অংশ ছিল। সেটি বাদ দিয়ে নেছারাবাদ উপজেলা পিরোজপুর-২ আসনের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গাজীপুর-২ : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড গাজীপুর-২ আসনের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। এই ওয়ার্ড এতদিন গাজীপুর-৫ আসনে ছিল।
গাজীপুর-৫ : সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড এই আসনের আয়তন থেকে বাদ পড়েছে। অর্থাৎ আগের চেয়ে এই আসন ছোট করা হয়েছে।
ফরিদপুর-২ : এই আসনের এলাকা থেকে সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বাদ দেওয়া হয়েছে।
ফরিদপুর-৪ : আগে এই আসনে কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন ছাড়া সদরপুর উপজেলার বাকি এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এখন কৃষ্ণপুরসহ পুরো সদরপুর উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কুমিল্লা-১ : এই আসন থেকে মেঘনা উপজেলাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তিতাস উপজেলাকে।
কুমিল্লা-২ : এখানে মেঘনা উপজেলাকে যুক্ত করা হয়েছে। তিতাস উপজেলাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী-২ : এই সংসদীয় আসন আগে সেনবাগ উপজেলা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও, নাটেশ্বর ও আম্বর নগর নিয়ে গঠিত ছিল। এবার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নকেও এখানে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে এটির আয়তন বেড়েছে।
নোয়াখালী-১ : এই আসন থেকে সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এটি ছোট করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশীজ এর জাকঁজমকপূর্ণ রেসিডেন্সিয়াল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৭ জুন ঢাকার প্যানপ্যাসিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। ১৯ জুন ছিল অনুষ্ঠানের সমাপ্তি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশীজ-এর সভাপতি ডা. হাসনাত হোসাইন এমবিই ৷ কো-অর্ডিনেটর হিসেবে ছিলেন ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজ-এর যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাহী পরিচালক শরাফত হোসেন বাবু । এছাড়াও যুক্তরাজ্য , মালয়েশিয়া, গ্রিস, দুবাই , বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নির্বাহী পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয় বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলকে । অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অন্তবর্তী সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ , বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, গণ অধিকার পরিষদের চেয়ারম্যান ভিপি নূর ও সেক্রেটারি রাশেদ খান, জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা, খিলাফত মজলিসের
মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের ।
অনুষ্ঠানে সারাবিশ্বের প্রবাসীদের অবদান ও দুঃখ দুর্দশার কথা তুলে ধরা হয়। ভবিষ্যতে প্রবাসীদের জন্য একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্খা প্রকাশ করা হয়। এছাড়া প্রবাসীদের ভোটাধিকারের বিষয়েও বিষদভাবে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশী ও ভয়েস ফর জাস্টিসের দীর্ঘ পথচলা ও কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয় । স্বৈরাচারি সরকার বিতাড়নে ও বাংলাদেশে বিশেষ অবদানের জন্য উপস্থিত অতিথিরা ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশীজের প্রশংসা করেন৷
ইতোমধ্যে জানা গেছে, সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের সমন্বয়ে নতুন ধারার একটি সংসদ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেখানে প্রবাসীদের পক্ষে ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজের ১০% আসন রাখার বিষয়ে মতামত দেন সকলে এবং উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশি সব সময় পাশে থাকবে বলে আশাব্যক্ত করা হয়। পরিশেষের ডিনারের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে ।
আগামী রেসিডেস্সিয়াল চলতি বছরের ডিসেম্বরে মালয়েশিয়াতে অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে সরকার কাজ করছে। শনিবার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এক ধরনের অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। তবে শিগগিরই একটি রোডম্যাপ আসবে এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে। সরকার এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।”
তৌহিদ হোসেন আরও বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশের এতো বেশি রাজনৈতিক দলের বিদেশি শাখা নেই, যতটা বাংলাদেশি রাজনৈতিক দলের রয়েছে। এসব শাখা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ইমেজ নষ্ট করছে। বিএনপি, আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে প্রবাসে মিছিল, স্লোগান এবং ডিম নিক্ষেপের মতো কর্মকাণ্ড দেশের ব্র্যান্ডিংয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
তিনি বলেন, “বিদেশের মাটিতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা এবং পরস্পরের বিরুদ্ধে বৈরী মনোভাব প্রকাশ করার ঘটনা আমাদের দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। এসব সমস্যা দূর করতে গণমাধ্যমকে ভূমিকা রাখতে হবে।”
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, গত চার মাসে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বাংলাদেশ নিয়ে ব্যাপক নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়েছে। তারা এমনভাবে খবর প্রচার করছে, যাতে মনে হচ্ছে সীমান্ত এলাকায় যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর ভয়াবহ নির্যাতন চলছে। এই ধরনের অপপ্রচার রোধে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, “বিদেশে অনেক প্রবাসী অভিযোগ করেন যে দূতাবাসগুলো থেকে তারা প্রয়োজনীয় সহায়তা পান না। কিছু অভিযোগ সত্য হলেও সবগুলো সঠিক নয়। তবে বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি করলে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন


দেশের জনগণের মতো সেনাবাহিনীও চায় সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে আরও স্বাভাবিক হবে।
বুধবার সেনাসদরে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, সদর দফতর আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (জিওসি আর্টডক) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।
তিনি বলেন, দেশের জনগণের মতো সেনাবাহিনীও চায় সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। সে রূপরেখার মধ্যে সময়সীমাও দেওয়া আছে। আমরা আশা করি নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে আরও স্বাভাবিক হবে এবং সেনাবাহিনী তখন সেনানিবাসে ফিরে যেতে পারবে। আমরা সেদিকে তাকিয়ে আছি।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান আরও বলেন, সরকার এখন পর্যন্ত নির্বাচনের যেটুকু রূপরেখা প্রনয়ণ করেছে সেটার উপর ভিত্তি করে সেনাবাহিনী যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। আমাদের যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এখন সীমিত আকারে চলছে তারমধ্য নির্বাচনের সময় আমাদের কী করণীয় সেটাকে ফোকাসে রেখেই প্রশিক্ষণ করছি।
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণের সঙ্গে একটি বিষয় সম্পর্কিত তা হলো শান্তিকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব হলো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। আমরা বলে থাকি 'উই ট্রেইন এজ উই ফাইট'।
গত ১৫ মাস সেনাবাহিনী বাইরে আছে উল্লেখ করে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচন পর্যন্ত বা তার কিছুটা পরেও যদি বাইরে থাকতে হয় তাহলে আরও কিছুদিন বাইরে থাকতে হবে। এতে করে আমাদের প্রশিক্ষণ বিঘ্নিত হচ্ছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান বলেন, এর পাশাপাশি যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গত ১৫ মাস যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে সেনাবাহিনী; এটা সহজ পরিস্থিতি ছিল না। এ ধরনের পরিস্থিতি বাংলাদেশ প্রতিদিন ফেস করেনি। এজন্য আমরাও চায় একটা সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক এবং আমরা সেনানিবাসে ফেরত আসতে পারি।
গত ১৫ মাস সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসনের সহয়তায় নিয়জিত আছে এবং অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করছে। এই ১৫ মাস সেনাবাহিনী অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে বলেও উল্লেখ করেন সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন


দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তবে কী পরিমাণ অর্থ ফেরত আসবে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা টাকা পাচার করে তারা সব বুদ্ধি জানে, কীভাবে করতে হবে। এটা আনতে গেলে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। তবে কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। অনেক লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে হয়তো কিছু আসতে পারে। বাকিটার জন্য আমরা ক্ষেত্র প্রস্তুত করছি।’
তিনি বলেন, ‘এই ফরমালিটি কোনো সরকার অ্যাভয়েড করতে পারবে না। মনে করেন, আমি বললাম টাকা দিয়ে দাও সেন্ট্রাল ব্যাংকে। সুইস ব্যাংকে বলে দিলাম টাকা দিয়ে দাও, দেবে না তো। ওটা আপনার লিগ্যাল ওয়েতে যেতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন ১১-১২টা আমরা একেবারে হাই প্রায়োরিটিতে দেখছি। আর বাকিগুলোর মধ্যে যেগুলো ২০০ কোটি টাকার বেশি তাদেরকেও ধরা হচ্ছে।’
এ সময়ও কিছু অর্থ পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে- সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘আচ্ছা কিছুদিন পরে দেখি। একটা রিভিউ আমরা করছি। দেখি কতটুকু আনা যায়। আপনারা জানেন অলরেডি অ্যাসেট ফ্রিজ করা হয়েছে বাহিরের কতগুলো দেশে। কোথায় ওদের টাকা আছে, কোথায় অ্যাকাউন্ট আছে, কোন কোন দেশে ওদের পাসপোর্ট আছে সেটার তথ্যও আছে। এখন বাকি একটু কাজ করতে যতটুকু সময় লাগে।’
মন্তব্য করুন


ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, এ বছর নিরাপদে পবিত্র হজ পালনের পর সরকারের পক্ষ থেকে ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা ফেরত পেয়েছেন বাংলাদেশি হজযাত্রীরা। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের আন্তরিক সহযোগিতা ও নির্দেশে এবারের হজ ব্যবস্থা বিশ্বের ভালো ব্যবস্থাপনা হিসাবে রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথভাবে পালনে বিশেষ নির্দেশনা ছিল প্রধান উপদেষ্টার।
যার কারণে যথাসময়ে সৌদি আরবের নির্ধারিত হজ ফি পরিশোধ করা, মক্কা শরিফের কাছাকাছি বাড়ি ভাড়া করা, কম খরচে হজযাত্রা নিশ্চিত করাসহ সৌদি আরবে হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় সুচিকিৎসা প্রদানের কারণে এবার মহান আল্লাহ তায়ালার দয়ায় বাংলাদেশ হজ যাত্রায় রেকর্ড অর্জন করেছে। যার অংশীদার শুধু ধর্ম মন্ত্রণালয় নয়, পুরো ৮৭ হাজার ১০০ জন হাজি সাহেবদেরও। কারণ তারাও সৌদি আরবে যথাযথ নিয়ম-কানুন মেনে পবিত্র হজ পালনে সচেষ্ট ছিলেন।’
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সফলতার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খলিদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ধর্ম মন্ত্রণালয়।
এই মন্ত্রণালয় থেকে গত এক বছরে হজ কার্যক্রম ছাড়াও ধর্মীয় সেক্টরে মসজিদ, মাদরাসায় অনুদান প্রদান, হাজারো মক্তবে ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান অব্যাহত রাখাসহ ব্যাপক ওয়াক্ফ সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ‘রাজনৈতিক কোনো চাপ না থাকার কারণে সরকারের যথাযথ নিয়ম পালন করে তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে প্রচলিত সেবাসমূহ জনমানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পেরেছেন।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গত ১০ মাসের সংস্কার ও অর্জিত কার্যক্রমের তথ্য থেকে জানা গেছে, এ বছর তথা চলতি ২০২৫ সনের হজ প্যাকেজের মূল্য ২০২৪ সনের চেয়ে ৭৩ হাজার টাকা কমিয়ে দেওয়া হয়। হজ কার্যক্রম সার্বিক দায়িত্ব সুচারুরূপে পালনের জন্য সফলতার কারণে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় প্রধান উপদেষ্টা ধর্ম মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এ বছর ২০২৫ সনের হজে তিনটি নতুন সেবার উদ্ভাবন করা হয়। তা হলো, আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ‘লাব্বাইক’ মোবাইল অ্যাপ চালুকরণ, মোবাইল ফোনে রোমিং সুবিধা প্রদান ও হজ প্রি-পেইড কার্ড হজযাত্রীদের হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়া।
এছাড়া সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সীমিত জনবলের মাধ্যমে হজ কার্যক্রম সম্পাদন করে। রাজস্ব খাতে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির ২৯ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোতে রাজস্ব খাতে ৩৬টি পদ সৃজনের কার্যক্রম গ্রহণ এখন অর্থ বিভাগের সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে। তাদের প্রস্তুতি মতো কাজ এগিয়ে গেলে আমাদের নির্বাচনটা হবে খুবই সুষ্ঠু, উৎসবমুখর এবং একেবারে ফেয়ার। এখানে কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সাংবাদিকরা সবসময় বলেন, আইনশৃঙ্খলা কন্ট্রোল করি না। দেখেন এখানে আপনারা কয়জন সাংবাদিক, এই কয়জনের কথা বলাটা বন্ধ করতে অনেক সময় লেগে যায়। তো দেশের ১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা অনেক ডিফিকাল্ট কাজ।
তিনি বলেন, ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে বর্তমানে যে মাত্রার স্বাধীনতা দেখা যাচ্ছে, বিগত আমলে তা ছিল না।
এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ফেসবুক বা ইন্টারনেট বন্ধ করা এখন আর গ্রহণযোগ্য নয়। কেউ এমন কাজ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সবাই স্বাধীনভাবে লিখবেন, মত প্রকাশ করবেন। আগে সাংবাদিকেরাও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ছিলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে গিয়ে প্রশ্ন করার সাহস পেতেন না। এখন সেই পরিবেশ বদলে গেছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, চট্টগ্রামে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না। সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থায়’ পরিণত হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে দেয়া বিশেষ বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বার্তায় বলা হয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় “মোন্থা” এ পরিণত হয়ে দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।
গতকাল দিবাগত রাত ৩টায় এই ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৬০ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৮০ এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত বার্তায় আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা বা রাতের দিকে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যের উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার পর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেতের পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এছাড়া, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে না যেতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন