আমন ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষাণীরা

আমন ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষাণীরা

আষাঢ়ের বৃষ্টির পানিতে কৃষকের মনে স্বস্তি ফিরে খানসামার  চাষীরা । মাঠজুড়ে আমনের ক্ষেতে রাসয়নিক সার, কীটনাশক ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন, কৃষক-কৃষানীরা। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে বেড়ে উঠতে শুরু করেছে কৃষকের স্বপ্নের ফসল আমন ধান। অন্যবছরের তুলনায় এ বছর আমন রোপণের শুরু থেকে কৃষককে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

ভরা মৌসুম আষাঢ়ের ভরা মৌসুমে ও আকাশে বৃষ্টির দেখা মিলছিল না। ফলে সঠিক সময়ে আমন ধান রোপণ করতে পারেনি অনেক কৃষক। তবেও বাদ পড়েনি আমন ধান চাষী কৃষক। আমনের শুরুতে মোটার ও শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি কিনে আমন ধান রোপণ করছেন, চাষীরা।

খানসামা উপজেলার বিভিন্ন আমনের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কম-বেশি সব কৃষকের কষ্টে অর্জিত আমন ধানের সবুজ পাতার রঙে ছেয়ে গেছে মাঠ। বোরো কর্তন শেষে রোপা-আমন চাষে কোমর বেঁধে মাঠে কাজ করছেন, কৃষক ও কৃষানীরা। কেউ ধান গাছের আগাছা পরিষ্কার করছেন, কেউ সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। সবুজ পাতায় বাতাসে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন। রোপা-আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকের মুখে হাসি।

উপজেলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  কৃষিবিদ ইয়াসমিন আক্তার জানিয়েছেন, এ বছর খানসামা উপজেলায় ১৩ হাজার ৭শত ৫০ ’ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে । ধান পাওয়ার আশা করা হচ্ছে ১৩ লাখ ৮১ হাজার ৫৮৮ টন। তবে এবার অনেক আমন চাষী সেচনির্ভর হয়ে পড়েছে। এতে ব্যয় বাড়ছে কৃষকের।

কৃষক মকবুল হোসেন বলেন, কৃষিনির্ভর খানসামা  উপজেলায় প্রায় মানুষের ফসল উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটছে। এবার বড় ধরনের দুর্যোগ না হলে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বিগত দিনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারব বলে মনে করছি।

আমন চাষী রফিকুল ইসলাম বলেন, যদি কোন দূর্যোগ বালাই না হয় তাহলে আমনের ফলনও খুব ভালো হয়। আর কৃষকের আমন ধান চাষে কোন রোগ বালাই না হয় সেজন্য প্রতিনিয়ত কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ে থেকে তদারকি করা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে কৃষকরা এবার ভালো আমন ধানের ফলন পাবেন। কোন ধরনের দুর্যোগ দেখা না দিলে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

রাষ্ট্র সংস্কারে জামায়াতের ১০ প্রস্তাব

রাষ্ট্র সংস্কারে জামায়াতের ১০ প্রস্তাব

জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র সংস্কারে দলের প্রস্তাব প্রকাশ করেছেন। দলটি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য রাখা, পুলিশের জন্য স্বাধীন কমিশন গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছে। এ সময় রাষ্ট্র সংস্কারে সেক্টর অনুযায়ী আলাদা আলাদা ১০টি প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে দলটি।

বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত 'রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবনা' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।

এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। নিহত এবং আহতদের জন্য দোয়া কামনা করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ।

জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, এই ১০ প্রস্তাব শুধুমাত্র অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য। নির্বাচিত কোনো সরকারের জন্য নয়।

এই সরকারের কাছে তাদের মোট ৪১টি প্রস্তাব আছে, যার মধ্যে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গণমাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

জামায়াতের সংস্কারের প্রস্তাবগুলো হলো--

১. আইন ও বিচার

● উচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগের জন্য সুষ্ঠু ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

● বিচার বিভাগ থেকে দ্বৈত শাসন দূর করতে হবে।

● বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

● আইন মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে বিদ্যমান আইনসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও গণমানুষের মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যশীল আইন প্রণয়ন করতে হবে।

● ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ওসকল কালো আইন বাতিল করতে হবে।

● বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে বিভাগীয় পর্যায়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● নিম্ন আদালতের যথাযথ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য পৃথক বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করতে হবে।

● সকল ফৌজদারি মামলা তদন্তের জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

● দেওয়ানি মামলার জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছর এবং ফৌজদারি মামলাসমূহ সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বিধান করতে হবে।

২. সংসদ বিষয়ক সংস্কার

● সংসদের প্রধান বিরোধীদল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার মনোনীত করতে হবে।

● সংসদীয় বিরোধী দলীয় নেতার নেতৃত্বে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

● সংসদে বিরোধী দলীয় সদস্যদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।

৩. নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার

● জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক ব্যবস্থা (Proportional Representation-PR) চালু করতে হবে।

● সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে স্থায়ীভাবে সন্নিবেশিত করতে হবে।

● নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রত্যাখ্যাত ইভিএম ভোটিং ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে।

● কোনো সরকারি চাকরিজীবী তাদের চাকরি ছাড়ার কমপক্ষে ৩ বছরের মধ্যে কোনো ধরনের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

● স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করতে হবে।

● অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ২০০৮ সালে প্রবর্তিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা বাতিল করতে হবে।

● নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রধান বিচারপতির সমন্বয়ে সার্চ কমিটি গঠিত হবে।

● জাতীয় সংসদ নির্বাচন একাধিক দিনে অনুষ্ঠিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

● ঘওউ- ব্যবস্থাপনা নির্বাচন কমিশনের অধীনে আনতে হবে।

৪. আইনশৃঙ্খলা সংস্কার

ক) পুলিশ বাহিনীর সংস্কার

● ১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার প্রণীত পুলিশ আইন পরিবর্তন এবং পুলিশের জন্য একটি পলিসি গাইডলাইন তৈরি করতে হবে।

● পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি এবং চাকরিচ্যুতির জন্য স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন করতে হবে।

● নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি এবং চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক ব্যক্তির সুপারিশের সুযোগ রাখা যাবে না তথা সর্বপ্রকার দলীয় ও ব্যক্তিগত প্রভাব বা হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।

● পুলিশ ট্রেনিং ম্যানুয়ালের মধ্যে ধর্মীয়  শিক্ষা ও নৈতিক অনুশাসন অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

● পুলিশের মধ্যে মারণাস্ত্রের ব্যবহার বাতিল করতে হবে।

● রিমান্ড চলাকালে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে আসামি পক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতি এবং মহিলা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের অভিভাবকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

● বিচার বিভাগীয় সদস্যদের দ্বারা পুলিশ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান থাকতে হবে।

● পুলিশের ডিউটি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা উন্নত করতে হবে।

● ‘পুলিশ আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে আধুনিকায়ন করতে হবে।

খ) র‌্যাব বিষয়ক সংস্কার

● র‌্যাব ও অন্যান্য বিশেষায়িত বাহিনীর প্রতি জনসাধারণের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে।

● গত সাড়ে ১৫ বছর যারা র‌্যাবে কাজ করেছে তাদেরকে স্ব স্ব বাহিনীতে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং তাদেরকে পুনরায় র‌্যাবে নিয়োগ দেয়া যাবে না।

● বিচারবহির্ভূত সকল প্রকার হত্যাকাণ্ড- বন্ধ করতে হবে।

● র‌্যাবের সামগ্রিক কার্যক্রম মনিটরিং-এর জন্য সেল গঠন করতে হবে। কোনো র‌্যাব সদস্য আইনবহির্ভূত কোনো কাজে জড়িত হলে এই সেল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করবে।

● মিডিয়ার ক্ষেত্রে নীতিমালা প্রণয়ন ও অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।

৫. জনপ্রশাসন সংস্কার

● জনবল নিয়োগ, বদলি, পদায়নে তদবির, সুপারিশ ও দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে প্রাধান্য দিতে হবে।

● যে কোনো চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ না করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

● সরকারি চাকরিতে আবেদন বিনামূল্যে করতে হবে।

● চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আগামী ২ বছরের জন্য ৩৫ বছর ও পরবর্তী বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩৩ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করতে হবে।

● চাকরির আবেদনে সকল ক্ষেত্রে বয়সসীমার বৈষম্য নিরসন করতে হবে।

● সকল সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি নিরোধকল্পে বিশেষ ব্যবস্থা তৈরি করা যাতে করে কেউ দুর্নীতি করার সুযোগ না পায়। এ জন্য প্রয়োজনীয় মনিটরিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে।

● চাকরিতে বিরাজমান আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূর করতে হবে।

● বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সরকারি চাকরিতে যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও দলীয় বিবেচনায় চাকরি পেয়েছে তাদের নিয়োগ বাতিল করতে হবে।

৬. দুর্নীতি

● দুর্নীতি দমন কমিশনে পরীক্ষিত সৎ, ন্যায়পরায়ণ, দক্ষ ও যোগ্য লোক নিয়োগ দিতে হবে।

● রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

● দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার স্বাধীনতা দিতে হবে।

● বিগত সরকারের আমলে দেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার উপযুক্ত বিধান প্রণয়ন ও তা কার্যকর করার পদক্ষেপ নিতে হবে।

● মন্ত্রণালয় ভিত্তিক দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করতে হবে।

● দুর্নীতি দমন কমিশনের আইন সংস্কার, জনবল ও পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে।

● রাষ্ট্রীয় ও জনগণের সম্পদ অবৈধভাবে ভোগ দখলকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সুস্পষ্ট আইন প্রণয়ন করতে হবে।

৭. সংবিধান সংস্কার

● রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য রাখার বিধান সংযুক্ত করতে হবে।

● একই ব্যক্তি পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

৮. শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংস্কার

ক) বিরাজমান সমস্যার আলোকে শিক্ষা সংস্কার প্রস্তাব

● ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিকে উচ্চমাধ্যমিক হিসেবে বলবৎ রাখতে হবে। অষ্টম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা বাতিল করে পূর্বের পরীক্ষা পদ্ধতি ফিরিয়ে আনতে হবে।

● পাঠ্যপুস্তকে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস গুরুত্বের সাথে তুলে ধরতে হবে।

● সকল শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ধর্মীয় মূল্যবোধবিরোধী উপাদান বাদ দিতে হবে।

● সকল শ্রেণিতে নবী করিম সা. এর জীবনীসহ মহামানবদের জীবনী সংবলিত প্রবন্ধ সংযোজন করতে হবে।

● স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিদ্যমান স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে সরকারীকরণ করতে হবে।

● প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে একটি করে কামিল মাদরাসাকে সরকারীকরণ করতে হবে।

● কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষার মূলধারায় যুক্ত করতে হবে।

● Department of Higher Education নামে একটি স্থায়ী  শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে।

● শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত শিক্ষা কমিশনের সকল ধারা তথা সাধারণ, আলিয়া, কওমীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

খ) সংস্কৃতি সংস্কার

● জাতির ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রাম ও মূল্যবোধের আলোকে বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে।

● জাতির ঐতিহাসিক দিনগুলোকে স্মরণীয় করার লক্ষ্যে বিশেষ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তা পালনের ব্যবস্থা করতে হবে।

● নাটক, সিনেমাসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানগুলো অশ্লীলতামুক্ত করতে হবে। নাটক, সিনেমা ও বিভিন্ন কন্টেন্টে বিভিন্ন ধর্ম, বিশেষ করে ইসলামকে হেয় করা থেকে বিরত থাকার বিধান প্রণয়ন করতে হবে।

● প্রাণীর মূর্তিনির্ভর ভাস্কর্য নির্মাণ না করে দেশীয় প্রকৃতি, ঐতিহ্যকে বিভিন্ন চিত্রাঙ্কন-ভাস্কর্যে তুলে আনতে হবে।

● সকল গণমাধ্যমে শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম প্রচার নিশ্চিত করতে হবে।

৯. পররাষ্ট্র বিষয়ক সংস্কার

● পররাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে সকল গণতান্ত্রিক দেশের সাথে সাম্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

● জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় চীন, নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার আন্তর্জাতিক নদীসমূহের পানিবণ্টন চুক্তির উদ্যোগ নিতে হবে।

● আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে।

● অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বিগত সরকারের আমলে সম্পাদিত সকল চুক্তি রিভিউ করতে হবে। এক্ষেত্রে একটি রিভিউ কমিশন গঠন করতে হবে।

● বাংলাদেশকে আসিয়ান জোটভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● শক্তিশালী SAARC পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● কোনো দেশের সাথে চুক্তি অথবা সমঝোতা চুক্তি হলে পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে সেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক উত্থাপন করে বিস্তারিত আলোচনা পূর্বক তা অনুমোদন করতে হবে।

১০. ধর্ম মন্ত্রণালয় সংস্কার

● ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশকে (ইফাবা) রাষ্ট্রের কল্যাণে অর্থবহ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

● ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিকে স্বতন্ত্র সংস্থা বা দপ্তরে রূপান্তর করতে হবে, যাতে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।

● ইসলামিক মিশনকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● হজ ব্যবস্থাপনার জন্য স্বতন্ত্র অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● হজ্জ ও উমরার খরচ কমানোর জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● ইসলামিক ফাউন্ডেশনে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেখানে দেশের বরণ্যে আলেমগণ সম্পৃক্ত থাকবেন।

● বিতর্কিত সকল বই বাতিল ও প্রকাশনা বন্ধ করতে হবে।

● সকল ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, আ ন ম শামসুল ইসলাম, এটিএম মাছুম, সাইফুল আলম খান মিলন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, নূরুল ইসলাম বুলবুল, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

আগুনে পুড়ল ৭ ঘর, অক্ষত থাকল কোরআন

আগুনে পুড়ল ৭ ঘর, অক্ষত থাকল কোরআন

অগ্নিকাণ্ডে নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সাতটি বসতঘর ও মূল্যবান আসবাবপত্র আর কষ্টার্জিত নগদ টাকা। তবে আশ্চর্যজনকভাবে ভস্মীভূত ছাইয়ের মধ্যে সম্পূর্ণ অক্ষত রয়ে গেছে পবিত্র কোরআন শরীফের প্রতিটি হরফ।

এই ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ হবিরবাড়ী গ্রামের খন্দকার পাড়া এলাকায়। সোমবার (১৮ মে) দুপুরের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোরআন শরীফের হরফ না পোড়ায় হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামের মালিকানাধীন টিনশেড ঘর থেকে হঠাৎ বিকট শব্দে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই আগুন তীব্র আকার ধারণ করে আশরাফুল ইসলামের চারটি ঘর ও মিতু আক্তারের তিনটি সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও ঘরে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও আগুনে আংশিক পুড়লেও পবিত্র কোরআন শরীফের ভেতরের হরফ বা লেখাগুলো অক্ষত রয়ে গেছে, যা দেখে হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।

ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমার বসতবাড়ির ৪টি ঘরে থাকা নগদ দুই লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ সব আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বর্তমানে আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই বা এক মুঠো খাবারও অবশিষ্ট নেই। তবে এই ধ্বংসস্তূপের মাঝেও আল্লাহর কালামের হরফগুলো অক্ষত দেখে মনে এক অন্যরকম সান্ত্বনা পাচ্ছি।

অপর বাসার মালিক মিতু আক্তারের মা জানান, হঠাৎ আগুন দেখে তিনি হতভম্ব হয়ে পড়েন, জীবনের সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে কিছুই রক্ষা করতে পারেননি।

স্থানীয় বাসিন্দা মাহফুজ খন্দকার বলেন, হঠাৎ লাগা এই আগুনে দুটি পরিবারের সবকিছু পুড়ে গেছে। তারা এখন খোলা আকাশের নিচে একেবারে নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। আগুনে সবকিছু শেষ হলেও কোরআন শরীফের পাতাগুলোর এই অবস্থা সবাইকে বিস্মিত করেছে।

ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি রওনা হয়েছিল। তবে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ফলে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করা সম্ভব হয়নি।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) মোতায়েন করা হয়েছে।

১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বমোট ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

পৃথিবীর জন্য আশার বাতিঘর হতে চায় বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

পৃথিবীর জন্য আশার বাতিঘর হতে চায় বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

বিশ্ববাসীর উদ্দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা পৃথিবীর জন্য আশার এক বাতিঘর হিসেবে দাঁড়াতে চাই এবং আমাদের বন্ধু ও অংশীদারদের আহ্বান জানাই অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক চুক্তি পুনর্লিখনের জন্য, পাশাপাশি সামাজিক ব্যবসা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মাইক্রোফাইন্যান্সের ভূমিকা অন্বেষণ করতে, যা প্রান্তিক জনগণের জন্য টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়ক।

আজ মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাতারের দোহায় আর্থনা শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ এখন এমন এক অবস্থায় দাঁড়িয়ে, যেখানে একটি নতুন সামাজিক চুক্তি করার সুযোগ এসেছে। এটি এমন এক চুক্তি, যেখানে রাষ্ট্র ও জনগণ, বিশেষ করে যুবসমাজ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা, ঐতিহ্য, ন্যায়বিচার, মর্যাদা এবং সুযোগের ভিত্তিতে একটি ভবিষ্যৎ একত্রে গড়ে তুলবে।

তিনি বলেন, এটি এমন এক সামাজিক চুক্তি, যেখানে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও প্রান্তিক জনগণের ক্ষমতায়ন মৌলিক বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে একটি সহনশীল, সমৃদ্ধ এবং টেকসই ভবিষ্যতের স্বপ্নের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তবে এখন এমন নানা হুমকি রয়েছে, যা আমাদের উন্নয়নকে বিপথে ঠেলে দিতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা এমন এক সময় পার করছি, যেখানে বহুপাক্ষিকতা হুমকির মুখে, জলবায়ু পরিবর্তন দ্রুততর হচ্ছে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে এবং মানবিক সংকট গভীরতর হচ্ছে। নতুন নতুন নীতিমালা, প্রযুক্তি এবং শাসন পদ্ধতি আমাদের পৃথিবীকে দ্রুত রূপান্তরিত করছে, যা অতীতের অনেক অনুমানকে অচল করে দিচ্ছে।

এমন প্রেক্ষাপটে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এখন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতার পুনরুজ্জীবনের প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আসুন আমরা সাহসী হই। একটি এমন পৃথিবী গড়ি, যেখানে কেউ এতটা দরিদ্র না হয় যে, সে স্বপ্ন দেখতে না পারে এবং কোনো স্বপ্ন এত বড় না হয় যে, তা অর্জন করা যায় না। ভবিষ্যৎ এমন কিছু নয়, যা আমরা উত্তরাধিকার হিসেবে পাই। এটি এমন কিছু যা আমরা তৈরি করি। এবং আমাদের প্রত্যেকেরই এতে একটি করে ভূমিকা রয়েছে। সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, তা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, কিন্তু আমাদের উদ্ভাবন, সহমর্মিতা এবং সম্মিলিত কর্মকাণ্ডের সক্ষমতাও ব্যাপক।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, কাতার যেভাবে আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের উদ্যোগ নিয়েছে, তা দেখাচ্ছে কীভাবে একটি দেশ উদ্ভাবন, ঐতিহ্য ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে জলবায়ু সংকট, সামাজিক বৈষম্য এবং কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ মোকাবিলা করতে পারে।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর মূল বক্তব্যে সামাজিক ব্যবসা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মাইক্রোফাইন্যান্সের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি কাতার ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন শেখ মোজা বিনতে নাসের এবং ভাইস চেয়ারপারসন ও সিইও শেখ হিন্দ বিনতে হামাদ আল থানিকে সময়োপযোগী ও চমৎকার এই শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অসুবিধায় সাড়া দেবে ডিএমপির ‘কুইক রেসপন্স টিম’

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অসুবিধায় সাড়া দেবে ডিএমপির ‘কুইক রেসপন্স টিম’

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান জানিয়েছেন আসন্ন এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের যে কোনো অসুবিধা মোকাবিলা করতে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত থাকবে ।

মঙ্গলবার(১৩ ফেব্রুয়ারী) রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজিত ‘এস এস সি পরীক্ষা ২০২৪ উপলক্ষে সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।

মুনিবুর রহমান বলেছেন, পরীক্ষার্থীদের যে কোনো অসুবিধা মোকাবিলা করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এর ট্রাফিক বিভাগের প্রতিটি জোন কর্তৃক আলাদা আলাদা কুইক রেসপন্স টিম ( কিউআরটি ) গঠন করা হবে। এছাড়াও যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ এ ফোন করে সহায়তার আহ্বান জানানো যাবে। এক্ষেত্রে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা থাকবে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুনিবুর রহমান আরও বলেছেন, পরীক্ষা শুরুর আগে এমনভাবে বের হতে হবে যেন নূন্যতম ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানো যায়। যে সব সড়ক পারাপারে রেল ক্রসিং আছে তা বিবেচনা করে বাসা হতে সময় বিবেচনা করে রওয়ানা দেওয়া জরুরি। আপনার বাসার বা পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশের সড়কে যদি কোনো খোড়াখুড়ি/মেরামত কাজ চলে তবে তা বিবেচনায় নিয়ে সময় মত রওয়ানা দিতে হবে। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাবধাণতা অবলম্বন করে যানবাহনে চলাচলের অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

সেনাসদর মিলিটারি অপারেশনস ডাইরেক্টরেটের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মতৎপরতায় ঢাকাসহ সারাদেশে মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি ও হত্যার ঘটনা আগের চেয়ে কমেছে ।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গত ৫০ দিনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, অপরাধের হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। হটস্পটগুলো সার্বক্ষণিক ২৪ ঘণ্টা নজরদারির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।

সারাদেশে মব জাস্টিসের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, শুধু মব জাস্টিস নয়, চাঁদাবাজি, চুরি, রাহাজানি ও হত্যা আগের চাইতে কমেছে। গত দুই মাস আগে চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল ২৫০টি, কিন্তু বর্তমানে কমে ১২০টিতে নেমেছে। চুরি ৮৫০টির মতো হতো, বর্তমানে ৬০০টির নিচে নেমে এসেছে। হত্যা সাড়ে তিনশো ছিল, বর্তমানে ১২০-তে নেমেছে। সেনাবাহিনীর কর্মতৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে।

ঢাকার মোহাম্মদপুর ও বনানীতে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য এবং কিছু অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে। আর যারা অবসরপ্রাপ্ত সদস্য তাদের দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করা হবে। কোনো অন্যায়কে সেনাবাহিনী কখনো প্রশ্রয় দেয় না। সেনাবাহিনী সবসময় সততার সঙ্গে আছে এবং থাকবে। জনগণের আস্থার জায়গায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে পাশে পাবেন।

সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করতে গিয়ে কোনো চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী কোনো চ্যালেঞ্জ ফেস করছে না। তবে আমরা দীর্ঘ ছয় মাস বাইরে নিয়োজিত রয়েছি। অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।

তিনি বলেন, ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ১৭২টি অবৈধ অস্ত্র এবং ৫২৭ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।

এই সময়কালে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে (মূলত গাজীপুর, আশুলিয়া ও সাভার এলাকায়) ৮৮টি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে উদ্ভুত ৩০বার মূল সড়ক অবরোধ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। কারখানাগুলোকে চালু রাখার জন্য মালিকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, শিল্পাঞ্চল পুলিশ, বিজিএমইএসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে বর্তমানে দেশের ২ হাজার ৯৭টি পোশাক কারখানার মধ্যে গুটিকয়েক (বেক্সিমকো গ্রুপ, সাউদার্ন ডিজাইনার'স লিমিটেড, স্বাধীন গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং সেলফ ইননোভেটিভ ফ্যাশন লিমিটেড) ছাড়া সকল কারখানাই চালু রয়েছে।

শিল্পাঞ্চল ছাড়াও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গত এক মাসে ৪২টি বিভিন্ন ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে, যার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত ঘটনা ছিল ১৪টি, সরকারি সংস্থা/অফিস সংক্রান্ত তিনটি, রাজনৈতিক কোন্দল ৯টি এবং অন্যান্য ঘটনা ছিল ১৬টি।

বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইজতেমা ময়দানে তুরাগ নদীর ওপর ৫টি ব্রিজ স্থাপন, বোম ডিসপোজাল দলসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল মোতায়েন ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেনাসদস্য যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর সংস্কার কর্মকাণ্ড যেমন- অ্যান্টি পলিঘিনি অপারেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচালিত খাল পুনরুদ্ধার অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়েছে।

সেনাসদরের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন সময় যারা আহত হয়েছেন, তাদের সুচিকিৎসার জন্য সেনাবাহিনী আজ পর্যন্ত তিন হাজার ৮৫৯ জনকে দেশের বিভিন্ন সিএমএইচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে, যার মধ্যে ৪১ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি বলেন, দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দেশের জনগণের জানমাল এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও স্থাপনার নিরাপত্তা প্রদানসহ সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে এ সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করে কর্মধারা অব্যাহত রাখতে সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন কর্নেল শফিকুল ইসলাম।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

ইসির চোখ সিসি ক্যামেরায়

ইসির চোখ সিসি ক্যামেরায়

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সরাসরি সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করছে ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পরিস্থিতি। সাথে রয়েছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

১৭ জুলাই সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে স্থাপিত পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে নির্বাচন কমিশনাররা ভোটের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন।

ভোটগ্রহণ শুরুর আগে থেকেই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার মো. আহসান হাবিব খান সিসি ক্যামেরায় ভোট পর্যবেক্ষণে আসেন। পরবর্তীতে অন্যরাও আসেন।

ঢাকা-১৭ আসনের ১২৪টি কেন্দ্রে ৮৫৩টি, বোনাপোল পৌরসভার ১২টি কেন্দ্রে ১১৯টি ভোটকক্ষে এবং ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৯টি কেন্দ্রে ৮৬টি সিসি ক্যামেরায় ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আজ সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে, যা বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা চলবে।

সিসি ক্যামেরায় কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে ভোটগ্রহণ বন্ধ করাসহ নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে  জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন ।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

কুমিল্লায় ৯৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

কুমিল্লায় ৯৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১

কুমিল্লায় ৯৯ বোতল ফেন্সিডিল’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২।

১৪ মার্চ রাতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সাইফুজ্জামান বুলবুল (৩৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৯৯ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।                                                                

গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ সাইফুজ্জামান বুলবুল (৩৮) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার সবজিকান্দি গ্রামের মৃত মফিজুল ইসলাম এর ছেলে।

র‌্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র‌্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। 

মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

কুমিল্লায় তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন

কুমিল্লায় তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:

জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ভূমি এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যত’- এই মূল প্রতিপাদ্যকে নিয়ে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলায় আজ থেকে শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী ‘ভূমি সেবা মেলা’-২০২৬।

মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে এই মেলার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও আদর্শ সদর উপজেলা ভূমি অফিস।

সকালে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে আদর্শ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে শেষ হয়। পরে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুম প্লাটফর্মের মাধ্যমে কুমিল্লা জেলা থেকে সংযুক্ত হন অংশগ্রহণকারীরা।

র‌্যালী ও মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান।

আদর্শ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশিয়াত আকতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রসাসক মো. মোস্তক মিয়া, কুমিল্লা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবিএম মশিউজ্জামান, আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা, আদর্শ জেলা এনডিসি মো. আসিফুল হক, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুলের সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসানসহ অন্যান্যরা।

জেলা প্রশাসক মু রেজা হাসান বলেন, ভূমি সংক্রান্ত সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভূমি সেবা এখন অটোমেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনেক সহজ ও জনবান্ধব হয়েছে। মেলার মূল লক্ষ্য হলো নাগরিকদের এই নতুন সেবার সঙ্গে পরিচিত করা এবং সরাসরি সেবা প্রদান করা। ভূমি মেলার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ভূমি বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে সরাসরি তথ্য ও সেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশিয়াত আকতার বলেন, মেলা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো- ভূমি সেবা সহজীকরণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও নাগরিক সেবা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং প্রান্তিক পর্যায়ে সেবাগুলো পৌঁছে দেয়া। 

তিনি বলেন, তিনদিনব্যাপী এই মেলায় বিভিন্ন স্টলের মাধ্যমে ভূমি সংক্রান্ত সেবা পদ্ধতি সম্পর্কে জনগণকে ধারণা দেয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করা হবে।

তিনি আগামী ২১ মে পর্যন্ত চলমান এই মেলায় জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

পিজিআরকে চেইন অব কমান্ডের প্রতি আস্থাশীল থাকতে হবে : রাষ্ট্রপতি

পিজিআরকে চেইন অব কমান্ডের প্রতি আস্থাশীল থাকতে হবে : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) সদস্যদেরকে কর্তব্যপরায়ণতা, নিষ্ঠায় অটল এবং ‘চেইন অব কমান্ডে’র প্রতি আস্থাশীল থেকে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার (৬ জুলাই) বিশেষায়িত এই বাহিনীর ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি এই নির্দেশ দেন।


রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, মনে রাখবেন, দেশ ও জাতি যে মহান দায়িত্ব আপনাদের ওপর অর্পণ করেছে, সেই দায়িত্ব পালনে যেকোনো আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে আপনাদের চিরস্মরণীয় করে রাখবে।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং পিজিআর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ কামাল ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদর দফতরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে পিজিআরের দরবারে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান।

পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, সমসাময়িক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিস্তৃত বহুমাত্রিক নিরাপত্তা, নতুন নতুন তথ্য প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে প্রয়োজন অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ।

মো. সাহাবুদ্দিন পিজিআর সদস্যদেরকে স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা, আত্মোন্নয়নে মনোযোগী হতে এবং সর্বোপরি সৈনিক হিসেবে নিজের শারীরিক যোগ্যতাকে সর্বদা অক্ষুন্ন রাখতেও উপদেশ দেয়ার পাশাপাশি
পেশাগত মান ও দক্ষতাকে আরো বিকশিত ও বিশ্বমানে পৌঁছাতে বিদ্যমান প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে প্রয়োজনে আরো জোরদার করার পরামর্শ ও দেন রাষ্ট্রপ্রধান।  

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই দিনটি প্রতিটি গার্ডস সদস্যের কাছে একটি বিশেষ দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া পিজিআর এর  সদস্য হিসাবে তারা দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করছেন। নিঃসন্দেহে এটি খুবই আনন্দ ও গৌরবের একটি বিষয়। প্রতিষ্ঠাকাল হতে অদ্যাবধি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সদস্যগণ কর্তব্য পালনে আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দায়িত্ববোধ, পেশাগত উৎকর্ষ, দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সাথে নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে পিজিআর এর সুনাম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে দিতে হবে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর কালরাতে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যদের হত্যাকান্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সাহাবুদ্দিন বলেন, দুঃখজনক হলেও এটি সত্যি যে, পিজিআর প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪২ দিনের মাথায় মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতক চক্রের হাতে বঙ্গবন্ধু ও বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ তাঁর পরিবারের সদস্য বিপদগামী একদল সেনা কর্মকর্তার নির্মম বুলেটের আঘাতে ধানমন্ডির ৩২নং বাড়ীতে শহিদ হন। সেদিন আমরা আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টাকে রক্ষা করতে পারিনি, সেটা ছিল আমাদের অমার্জনীয় অপরাধ। সেদিন যদি পিজিআর আজকের মতো সুসংগঠিত ও চৌকস হতো তাহলে হয়তোবা ১৫ আগস্ট কালরাতে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করতে পারতো না ঘাতক দল। বাঙালি ও বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো। দেশ পরিণত হতো জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায়।

রাষ্ট্রপতি পিজিআর সদস্যদেরকে বলেন, তাদের (পিজিআর) ওপর অর্পিত দায়িত্ব একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ অন্যদিকে তেমন গৌরবময়। বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও অনেক দেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) বর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তারা দেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেছেন।
রাষ্ট্রপতি একটি সুশৃঙ্খল, পূর্ণাঙ্গ এবং স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টকে বর্তমান অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করার কারিগর হিসেবে প্রাক্তন সদস্যদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আলোকে তিনটি নতুন ডিভিশনসহ বিভিন্ন ফরমেশনের অধীনে ব্রিগেড, স্পেশাল ওয়ার্কস অরগানাইজেশন এবং ছোট বড় ৫৮টি ইউনিট প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, রাষ্ট্রপ্রধান উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ, উর্দ্ধতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের কমান্ডার  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি কোয়ার্টার গার্ড পরিদর্শন করেন এবং দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।



তিনি সেখানে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে একটি কেক কাটেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০