

আজ রবিবার (১৫ অক্টোবর) বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস। হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হচ্ছে। ‘আপনার নাগালেই পরিচ্ছন্ন হাত’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি বলেছেন, জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে স্বাস্থ্যসম্মত ও টেকসই স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা অতি আবশ্যক। পানিবাহিত নানা রোগ ও ডায়রিয়া থেকে রক্ষা পেতে স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করা জরুরি। সরকার এ লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, হাত ধোয়ার সামাজিক আন্দোলন আরও বেগবান করতে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ও গণমাধ্যমসহ দেশের প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসার আাহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মাছ ঘাট এলাকা থেকে ২২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করেছে চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও কোস্ট গার্ড।
রোববার (৭ জুলাই) সকালে চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও কোস্ট গার্ড এর যৌথ অভিযানে বড় স্টেশন মাছ ঘাট থেকে এসব জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়।
এসব তথ্য জানান, অভিযানে অংশ নেওয়া চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম।
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে বড় স্টেশন মাছ ঘাট থেকে ২২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। এবং জেলিযুক্ত চিংড়ি মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়। চিংড়ির মালিকানা কেউ দাবি না করায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
অভিযানেউপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী মো. জামিল হোসেন, কোস্ট গার্ড চাঁদপুর স্টেশনের চিফ পেটি অফিসার এম. শফিকুল ইসলামসহ কোস্ট গার্ড সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর শেষে আজ
(২৫ অক্টোবর ২০২৪) দেশে প্রত্যাবর্তন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সফরকালে তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শান্তিরক্ষা মিশনের সাথে সংশ্লিষ্ট
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাপ্রধানসহ উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক
কর্মকর্তা, এবং কানাডার উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিবর্গের সাথে
সাক্ষাৎ করেন।
গত ১৭ অক্টোবর ২০২৪ সেনাবাহিনী প্রধান
নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনস বিভাগের
আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল Mr. Jean Pierre Lacroix, ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্ট
বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল Mr. Atul Khare, জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত
হাইকমিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল Ms. Ilze Brands Kehris, আন্ডার সেক্রেটারি
জেনারেল, ডিপার্টমেন্ট অব পলিটিক্যাল ও পিস বিল্ডিং অ্যাফেয়ার্স এর পক্ষে মধ্যপ্রাচ্য,
এশিয়া এবং প্যাসিফিক বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল Mohammed Khaled
Khiari এবং ডাইরেক্টর অব অফিস ফর পিস কিপিং স্ট্রাটেজিক পার্টনারশিপ General Jai
Menon এর প্রত্যেকের সাথে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। সেনাপ্রধানের সাথে সাক্ষাৎকালে
তাঁরা বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের
ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সকল বৈঠকে সেনাপ্রধান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের
অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং নীতি নির্ধারণী/ফোর্স কমান্ড পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব
বাড়াতে গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, সেনাবাহিনী প্রধান RAB ফোর্সেসে প্রেষণে নিয়োজিত
থাকাকালীন সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদেরকে
শান্তিরক্ষা মিশনে নির্বাচিত না করার বিষয় সকলকে অবহিত করেন। এছাড়াও, তিনি বাংলাদেশের
চলমান পরিস্থিতিতে অন্তবর্তীকালীন সরকারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর
চলমান কর্মকান্ডের উপর আলোকপাত করেন। সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ সরকার এবং সেনাবাহিনীর
পার্বত্য চট্টগ্রামে আর্থ-সামাজিক ও শান্তি শৃংখলার উন্নয়নে গৃহীত নানামুখি ইতিবাচক
দিক তুলে ধরেন। তিনি বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী কন্টিনজেন্টসমূহ
কর্তৃক স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালনার বিষয়ও
তাদের অবগত করেন। মিশনে অংশগ্রহণকারী দেশসমূহের মধ্যে শান্তিরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ
বিনিময়, আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ মিশন সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়াদি গুরুত্বের সাথে
আলোচিত হয়। সেনাবাহিনী প্রধান জাতিসংঘের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিশ্ব শান্তিরক্ষায়
বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের জোরালো ভূমিকা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, সেনাপ্রধান
নিউইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন পরিদর্শন করেন এবং স্থায়ী প্রতিনিধির সাথে
সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
গত ২২ অক্টোবর ২০২৪ সেনাপ্রধান ওয়াশিংটন
ডিসির পেন্টাগনে যুক্তরাষ্ট্রের চীফ অব স্টাফ অব দি আর্মি General Randy A. George
এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা দুই দেশের সেনাবাহিনীর
স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, বিশেষ করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন, প্রশিক্ষণ সহায়তা, দ্বি-পাক্ষিক
সম্পর্কোন্নয়ন ও পারস্পরিক আস্থা সৃষ্টি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা,
দুর্যোগ পরবর্তী মানবিক সহায়তা, যৌথ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়াদি আলোচনা করেন। এ সময়
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাপ্রধানের বৈদেশিক নীতি বিষয়ক উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, সেনাবাহিনী
প্রধান যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব ডিফেন্স অফিসের ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা বিষয়ক
সহকারী সামরিক সচিব Dr. Ely Ratner এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময়ে ইন্দো-প্যাসিফিক
দেশসমূহ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা
বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের
বিশেষ সহকারী এবং দক্ষিণ এশিয়া সংক্রান্ত জ্যেষ্ঠ পরিচালক Ms Lindsey W. Ford সহ জাতীয়
নিরাপত্তা পরিষদের দক্ষিণ এশিয়া সংক্রান্ত উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণও
উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের সহকারী সচিব Mr.
Donald Lu এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে সেনাপ্রধান দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা
পরিস্থিতি, এবং সরকারের সমর্থনে সেনাবাহিনীর বিবিধ কার্যকলাপ সম্পর্কে অবহিত করেন।
উক্ত বৈঠকে স্টেট ডিপার্টমেন্টের অন্যান্য
উর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
কানাডা সফরকালে সেনাপ্রধান ভাইস চিফ
অব কানাডিয়ান ডিফেন্স স্টাফ Lieutenant General Stephen R Kelsey এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ
করেন। সাক্ষাৎকালে তিনি বাংলাদেশী শিক্ষার্থী, কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর
সদস্যদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সহজতর করার জন্য কথা বলেন। তিনি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে
সহযোগিতা জোরদার করা বিশেষ করে সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রশিক্ষনার্থী
বিনিময়ের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও, কানাডিয়ান পার্লামেন্টের নাগরিকত্ব ও ইমিগ্রেশন
বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য মাননীয় সংসদ Salma Zahid সেনাপ্রধানের সাথে সাক্ষাৎ
করেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কথা
বলেন। সেনাপ্রধান বিশেষ করে ছাত্রদের এবং কর্মরত/অবসরপ্রাপ্ত সামরিক অফিসারগণের ভিসা
প্রক্রিয়া সহজতর করা, শিক্ষা বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে MOU স্বাক্ষর,
কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ পরিচর্যাকারী পাঠানোর মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতার বিষয়ে
গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও, বাংলাদেশে মনোনীত কানাডার হাইকমিশনার HE Ajit Singh এবং
কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাহিদা সোবহান সেনাপ্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
উল্লেখ্য,
সেনাবাহিনী প্রধান গত ১৫ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা গমন
করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়েছিল,আনসাররা সে সময় তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘সে সময় তারা দূতাবাস, বিমানবন্দর ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সেজন্য নিঃসন্দেহে তারা সাধুবাদ ও প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।’
আজ সকালে (২০ অক্টোবর) রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটায় অবস্থিত ১৯ আনসার ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত দরবারে দেওয়া বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, অঙ্গীভূত আনসারদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। ব্যাটালিয়ন ও অঙ্গীভূত আনসার উভয়ই তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে। এ সময় তিনি ভবিষ্যতে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আরও ভালোভাবে পালন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব সন্তোষজনক না হলেও উন্নতির দিকে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে। সেখানে আনসার বাহিনীরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এর অন্যতম কারণ হলো দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীতে সংঘটিত বন্যা এবং ময়মনসিংহ ও শেরপুরের চলমান বন্যা পরিস্থিতি। কুমিল্লা দেশের অন্যতম বৃহৎ সবজি উৎপাদনকারী জেলা। বন্যার কারণে এ উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সবজির দাম বেড়েছে।
এরআগে উপদেষ্টা রাজশাহী মহানগরীর নওহাটা ও খড়খড়ি বাজার পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন দ্রব্যমূল্যের খোঁজখবর নেন। বাজারে যাতে সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি না থাকে, সে ব্যাপারে তিনি উপস্থিত ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ প্রদান করেন। এছাড়া কেউ চাঁদাবাজি করলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করারও পরামর্শ প্রদান করেন।
এদিন তিনি রাজশাহী মহানগরীর আমচত্বরে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) আঞ্চলিক সার সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা এলাকায় মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মো. মনিরুজ্জামান মনির (৫০) নামে পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে।
শেরপুর সদর উপজেলার রাজবল্লবপুর গ্রামের মো. মজিবুর রহমানের ছেলে নিহত মনিরুজ্জামান। নিহত মনিরুজ্জামান ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় কর্মরত ছিলেন।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, এসআই মনিরুজ্জামান মামলার সাক্ষ্য দিতে নারায়ণগঞ্জ আদালতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বিকেলে মাইক্রাবাসে করে ময়মনসিংহ ফিরছিলেন এসআই মনিরুজ্জামান । পথে ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে মাইক্রোবাসটি। এতে গুরুতর আহত হন তিনি।
স্থানীয়রা মনিরুজ্জামানকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নাটোরের লালপুরে ১টি দেশি রিভলভার ও ৩ রাউন্ড তাজা গুলি ও ১০০ গ্রাম গাঁজা সহ আব্দুর রাজ্জাক (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
১৬ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে তাকে।
এর আগে (১৫ সেপ্টেম্বর) শুক্রবার দিনগত রাত ৩টায় উপজেলার আব্দুলপুর রেল জংশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় তাকে।
উপজেলার কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের কাচু মণ্ডলের ছেলে গ্রেফতারকৃত আব্দুর রাজ্জাক।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. উজ্জ্বল হোসেন বলেন, গোপন তথ্যে খবর পেয়ে আব্দুর রাজ্জাকের গ্রামের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আব্দুর রাজ্জাক বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে তার বাড়ি তল্লাশি করে ১টি দেশি রিভলভার ও ৩ রাউন্ড তাজা গুলি এবং ১০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে ওই রাতেই অভিযান পরিচালনা করে তাকে আব্দুলপুর রেলজংশন এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে গ্রেফতারকৃত আব্দুর রাজ্জাক অস্ত্র ও গুলি অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশে তার কাছে রাখার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. উজ্জ্বল হোসেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে রমজান মাস শুরু।
সোমবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এ কথা জানান ধর্মমন্ত্রী
ফরিদুল হক খান।
আজ
রাতেই এশার নামাজের পর ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা তারাবির নামাজ আদায় শুরু করবেন এবং শেষরাতে
সাহরি খাবেন।
তার
আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৈঠক
করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ও কমিটির সভাপতি
মো. ফরিদুল হক খান। সভায় ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র
রমজান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়,
বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন
প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে চাঁদ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমাদের তরুণ বিপ্লবীরা দেশের মানুষের মনে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জাগিয়ে দিয়েছে তা পূরণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শহীদদের আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করতে চাই।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেছেন, আজ আমরা বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের প্রথম মাস উদযাপন করছি। ইতিহাসের অন্যতম গৌরবময় বিপ্লবের জন্য শত শত ছাত্র এবং সর্বস্তরের মানুষ সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমাদের বাংলাদেশকে এর পূর্ণ গৌরবে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমাদের।
তিনি বলেন, আমি সেই সাহসী তরুণ, শ্রমিক, দিনমজুর, পেশাজীবীদের স্মরণ করছি যারা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিল। স্মরণ করছি আন্দোলন চলাকালে নিহত সাংবাদিকদের। আজ আমি এই বিপ্লবে শাহাদাত বরণকারী সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আমি অভিবাদন জানাই হাজার হাজার মানুষকেও যারা আহত হয়েছেন, প্রাণঘাতী আঘাতের শিকার হয়ে চিরজীবনের জন্য পঙ্গু হয়েছেন, কিংবা চক্ষু হারিয়েছেন।
গত মাসে আমাকে যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তখন আবু সাঈদ, মুগ্ধ এবং সমস্ত জানা এবং অজানা শহীদদের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমার সকল সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’
ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার প্রিয় তরুণেরা, তোমরা তোমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের শপথ নিয়েছিলে। শহর ও গ্রামীণ জনপদের দেয়ালে আঁকা তোমাদের স্বপ্নগুলো এখনো নানা রঙের সাজ নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।’
তিনি আরো বলেন, বিপ্লবের সময়, তোমরা পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে বন্ধুদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ঘুমহীন রাত কাটিয়েছো এবং দিনে নিষ্ঠুর শাসনকে প্রতিহত করার জন্য পরস্পরের থেকে চির বিদায় নিয়ে রাস্তায় নেমেছো। বিপ্লব শেষ হওয়ার পর তোমরা দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও তাদের উপাসনালয় পাহারা দিয়েছো এবং সারাদেশে ট্রাফিক পরিচালনা করার দায়িত্ব নিয়েছো। আমি জানি তোমাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাই এখন সময় পড়াশোনায় ফেরার। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়েছে। আমি তোমাদেরকে ক্লাস ও ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কেননা বিপ্লবের সুফল ঘরে তুলতে আমাদের একটি সুশিক্ষিত ও দক্ষ প্রজন্মের দরকার।
তিনি বলেন, মাত্র একমাস হলো অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। তা সত্ত্বেও আমরা বিপ্লবের প্রকৃত লক্ষ্য অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। আমাদের প্রথম কাজ জুলাই ও আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। গণহত্যার বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করার জন্য আমরা জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তারা এদেশে এসেছেন এবং তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের প্রধান দায়িত্বগুলির মধ্যে একটি হল বিপ্লবের সময় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হাজার হাজার মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা। হাসিনার দুর্বৃত্তরা তাদের চোখ লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোড়ায় অসংখ্য তরুণ শিক্ষার্থী দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করবো তাদের চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে। আমরা শহীদ ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির জন্য ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছি। মূল তালিকা হয়ে গেছে। এখন শুধু দূর-দূরান্তে যাদের লাশ নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে তথ্যগুলিতে পূর্ণাঙ্গতা দেওয়া হচ্ছে। আহত শত শত মানুষ যাদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রয়োজন, তাদের ব্যয়বহুল চিকিৎসা এবং শহীদদের পরিবারের দেখাশোনার জন্য একটি ফাউন্ডেশন এখন তৈরির শেষ পর্যায়ে আছে। যাদের শাহাদাতের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে আমরা তাদের কখনোই ভুলবো না।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস সবশেষে বলেন, আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা নিলাম শহিদদের রক্ত এবং আহত ভাইবোনদের আত্মত্যাগকে জাতি হিসাবে আমরা কিছুতেই ব্যর্থ হতে দেবো না। যে সুযোগ তারা আমাদের জন্য তৈরি করে দিয়েছেন সে সুযোগকে আমরা কখনো হাতছাড়া হতে দেবো না। আজ তাদের স্মৃতিময় দিনে আবারও প্রতিজ্ঞা করলাম তাদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ আমরা গড়বোই। মহান আল্লাহ আমাদের সকলের সহায় হোন।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর:
চাঁদপুরে নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের নির্দেশে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুর মতলব উত্তর থানাধীন নাসিরাকান্দি এলাকায় মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ১০টি ড্রেজার ১টি বাল্কহেড, ২টি স্পিডবোটসহ ৪৩ জন আটক করেছে নৌ পুলিশ।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অবৈধ বালু বিক্রয়লব্দ ১১ লক্ষ ৪১ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মতলব উত্তর উপজেলার হিল্লোল চাকমা সহকারী কমিশনার ভুমি, মতলব উত্তর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান, মোঃ শফিকুল ইসলাম, কোস্ট গার্ডের চীফ পেটি অফিসার।
চাঁদপুর নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রীয়াধীন আছে।
মন্তব্য করুন


ভোলায় কোস্টগার্ডের অভিযানে একটি ডাকাতদলের সক্রিয় দুই সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ভোরে সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের চর রাসেল এলাকা থেকে ১টি পিস্তল ও ৬টি দেশীয় অস্ত্রসহ তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো: ডাকাত সর্দার মো. মোফাজ্জল (৫৫) এবং তার সহযোগী আব্দুল বাতেন (৬৫)।
তারা লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলাধীন মধুচৌধুরি হাট ও মধ্যের চর রমনীর বাসিন্দা।
কোস্টগার্ড এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বেশ কিছুদিন ধরে ইলিশা এলাকায় মেঘনা নদী এবং তৎসংলগ্ন চরে কুখ্যাত রাসেল বাহিনীর সক্রিয় সদস্য মো. মোফাজ্জল এবং আব্দুল বাতেন স্থানীয় জনসাধারণ এবং জেলেদের জিম্মি করে চাঁদাবাজি, জমিদখল ও বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছিলেন। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড এসব এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে ইলিশার চর রাসেল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে রাসেল বাহিনীর দুই সক্রিয় ডাকাতকে ১টি পিস্তল, ৬টি দেশীয় অস্ত্র ও ১টি মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়।
পরে জব্দ করা অস্ত্রগুলোসহ আটককৃতদের ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, এই প্রজন্মই দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের
রক্ষাকবচ।
তিনি
তার ভেরিফাইড ফেসবুকে ‘কয়েকটি কথা’শিরোনামে
আজ (৯ মে) একটি পোস্টে এই কথা বলেছেন।
তিনি
সেখানে লিখেছেন, একটি দলের এক্টিভিস্টরা বারবার লীগ নিষিদ্ধের আইনি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে
ছাত্ররা রাজি ছিল না, এটা বলে বেড়াচ্ছেন। মিথ্যা কথা। ক্যাবিনেটে প্রথম মিটিং ছিল আমার।
আমি স্পষ্টভাবে এই আইনের অনেকগুলো ধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম। নাহিদ-আসিফও আমার পক্ষে
ছিল স্বভাবতই। দল হিসেবে বিচারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হলে একজন উপদেষ্টার জবাব ছিল
ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের মত পশ্চাৎপদ উদাহরণ আমরা আমলে নিতে পারি কি-না। এই যুক্তি যিনি
দিয়েছিলেন, একটি দলের এক্টিভিস্টরা আজ সমানে তার পক্ষে স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন ছাত্রদের
কুপোকাত করতে। অথচ, উনার সাথে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। মিছে বিরোধ লাগানোর অপচেষ্টা
করে কোনো লাভ নেই।
বলে
রাখা ভালো, দু’জন আইন ব্যাকগ্রাউন্ডের
উপদেষ্টা (একজন ইতোমধ্যে মারা গিয়েছেন) ও আমাদের বক্তব্যের পক্ষে ছিলেন। সংস্কৃতি উপদেষ্টাও
পক্ষে ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে কথা হয়েছে। দল হিসেবে লীগের বিচারের প্রভিশন
অচিরেই যুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন উক্ত উপদেষ্টা। উনাকে ধন্যবাদ।
মিথ্যা
বলা বন্ধ করুন। ঘোষণাপত্র নিয়ে আপনাদের দুই মাস টালবাহানা নিয়ে আমরা বলব। ছাত্রদের
দল ঘোষণার প্রাক্কালে আপনারা দলীয় বয়ানের একটি ঘোষণাপত্র নিয়ে আলোচনা শুরু করেছিলেন।
সমস্যা নেই, আমরাও চাই সবাই স্বীকৃত হোক। কিন্তু, এখন সেটাও হতে দিবেন না। দোষ আমাদেরও
কম না। আমরা আপনাদের দলীয় প্রধানের আশ্বাসে আস্থা রেখেছিলাম।
পুনশ্চ:
আমরা নির্বাচন পেছাতে চাইনা। ডিসেম্বর টু জুনের মধ্যে নির্বাচন হবেই।
আপনারা
যদি মনে করেন, ছাত্ররা নিজেদের আদর্শ ও পরিকল্পনা নিতে পারে না বরং এখান থেকে ওখান
থেকে অহি আসলে আমরা কিছু করি। তাহলে আপনারা হয় ছাত্রদের খাটো করে দেখছেন, নয়তো ছাত্রদের
ডিলেজিটিমাইজ করার পরিকল্পনায় আছেন। সেই আগস্ট থেকেই আমরা জাতির জন্য যা ভালো মনে করেছি,
সবার পরামর্শ নিয়েই করেছি। বরং, উক্ত দলকেই আমরা বেশি ভরসা করেছি। সবার আগে উনাদের
সাথেই পরামর্শ করেছি। ভরসার বিনিময়ে পেয়েছি অশ্বডিম্ব। সব দোষ এখন ছাত্র উপদেষ্টা নন্দঘোষ!
আমরা
উক্ত দলকে বিশ্বাস করতে চাই। উক্ত দলের প্রধানকে বিশ্বাস করতে চাই। উনি আমাদের বিশ্বাসের
মূল্য দিয়ে লীগ নিষিদ্ধ প্রশ্নে ও ঘোষণাপত্র প্রকাশে দেশপ্রেমিক ও প্রাগমাটিক ভূমিকা
রাখবেন বলেই আস্থা রাখি। উক্ত দলকে নিয়ে কে কি বলবে জানি না কিন্তু আমরা চাই উক্ত দল
ছাত্রদের সাথে নিয়ে দেশের পক্ষে, অভ্যুত্থানের শত্রুদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐকমত্যের
নেতৃত্ব দিক। দেশপ্রেমিক ও সার্বভৌমত্বের পক্ষের শক্তি হিসাবে নেতৃত্ব দিলে ছাত্ররা
রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় উনাদের সাথে চলবেন।
ঐক্যবদ্ধ
হোন। নেতৃত্ব দিন। এই প্রজন্মকে হতাশ করবেন না।‘এই
প্রজন্ম দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ।’
মাহফুজ
আলম ২০২৪ এর জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম
সংগঠক ছিলেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটির একজন সমন্বয়ক ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলন থেকে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মাহফুজ আলম।
মন্তব্য করুন