

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কিশোর গ্যাং নেতা তৌফিকুল ইসলাম ওরফে তৌফিককে (১৯) দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার মসজিদ পাড়া মহল্লার মৃত কুরবান আলীর ছেলে তৌফিক।
আজ (২২ জুলাই, ২০২৩ইং) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। এসময় তার হেফাজতে থাকা একটি চাইনিজ কুড়াল ও তিনটি কিরিচ জব্দ করা হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.সাজ্জাদ হোসেন।
ওসি জানান, দীর্ঘদিন ধরে পৌর এলাকায় একটি কিশোরগ্যাং পরিচালনা করে আসছিল তৌফিক। নিজ গ্রুপের সদস্যদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে শহরে চাঁদাবাজি ও ছিনতাই করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদ পেয়ে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। অস্ত্রসহ গ্রেফতারের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে। কিশোরগ্যাংটির অন্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
মন্তব্য করুন


পেটের বিভিন্ন সমস্যা সারাতে থানকুনি পাতা কাজ করে। শুধু পেটের সমস্যা নয়; ডায়েরিয়া, কলেরা, টাইফয়েড এর মতো একাধিক রোগে কার্যকরী ভূমিকা রাখে থানকুনি পাতা। চলুন জেনে নেওয়া যাক থানকুনি পাতা খাওয়ার উপকারিতা-
মানসিক অবসাদ কমাবে
মানসিক অবসাদ একটা সময় পুরো জীবনযাপনে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। থানকুনি পাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানসিক অবসাদ কমে।
স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দারুণ কার্যকরী থানকুনি পাতা। এই শাক শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান। সেইসাথে পেন্টাসাইক্লিক ট্রিটারপেন্স নামের একটি উপাদানের ঘাটতি কমাতেও কাজ করে। যে কারণে আমাদের মস্তিষ্কের কোষগুলো আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারে। স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়।
ত্বক ভালো রাখতে কাজ করে
ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে ত্বকে নানাভাবে প্রভাব পড়ে। তাই এ ধরনের সমস্যা থেকে বাঁচতে নিয়মিত থানকুনি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করুন। এই পাতা ত্বকের জটিল রোগ সারাতে অনেক কার্যকরী। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও কাজ করে।
অনিদ্রা দূর করে
থানকুনি পাতায় থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান যা মানসিক চাপ কমাতে দারুণভাবে কাজ করে। সেইসাথে স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে অনিদ্রার সমস্যা দূর করে এটি।
দুশ্চিন্তা দূর করে
থানকুনি পাতা দুশ্চিন্তা দূর করতে কাজ করে। নিয়মিত থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমে যায়। এই পাতা খেলে তা স্নায়ুর ওপর কাজ করে অ্যাংজাইটির সমস্যাকে প্রশমিত করে। ফলে দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যায়।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা এলাকায় বাদশা মিয়া বাজারে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লা।
শুক্রবার (১৭ মে) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন।
উক্ত অভিযানে ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা অভিযোগে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয়।
এ সময় জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিনব কায়দায় চুরি ও ছিনতাই চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে স্বর্ণ ও নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তরা আদতে ছেলে হলেও নারী বেশে চুরি করেন, আবার সড়কে হিজড়া সেজে চাঁদাবাজি ছিনতাই করে আসছিলেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হিজড়া মনির ওরফে প্রকাশ মণি (২৭) ও রফিক প্রকাশ ওরফে অপরূপা প্রকাশ রূপা (২৮)।
বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ মহসীন এ ব্যাপারে বলেন, মিরপুরের একটি চুরির তদন্তে বেরিয়ে আসে ধূর্ত এ চক্রের নাম ।
তিনি বলেন, চক্রটি গত রোববার (২৭ আগস্ট) মিরপুর মডেল থানার ৬০ ফিট এলাকার টুর অ্যান্ড ট্রাভেলসে চুরি করে। ওই প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও দুইটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায় তারা।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, চুরি করেছে এক নারী। পরে তদন্ত করে অভিযান চালিয়ে যখন গ্রেপ্তার করা হয় তখন দেখা যায় চোর নারী নয় নন,আদতে পুরুষ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতেই মেয়ে সেজে চুরি করে তারা। ঘরে মেয়ে সেজে চুরি করলেও রাস্তায় আবার তারা সাজে হিজড়া! হিজড়া সেজে তারা মানুষের কাছ থেকে চাঁদাবাজি ও সুযোগ বুঝে ছিনতাই করে।
সাধারণত শুক্রবার ও শনিবার ছুটির দিন হলেও রফিক ও মনিরের কাছে এই দুই দিনই কাজের দিন! কারণ এ সময় অফিস বন্ধ থাকে। তারা যে অফিসেই যায় সেখান ঢুকতেই মাথায় ঘোমটা দিয়ে ঢুকে! আবার রুমে ঢুকলে মাথায় ছাতাও ধরে! কারণ এসব জায়গায় সিসি ক্যামেরা থাকে। সেই ক্যামেরায় যাতে তাদের মুখ না আসে সে জন্যই এ পদ্ধতি ব্যবহার করে তারা। যেখানেই চুরি করে সেখানেই সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিয়ে আসে।
আসল নাম রফিক। কিন্তু বাইরে তিনি পরিচয় দেন রূপা নামে! একইভাবে আরেকজনের নাম মনির। কিন্তু তিনি বাইরে পরিচিত মণি নামেই। তারা দুইজনই ছেলে হলেও বাইরে তারা কখনও হিজড়া হিসেবে, আর কখনও মেয়ে হিসেবেই পরিচয় দিতেন!
প্রায় ৪ বছর ধরে তারা চুরি করছিলেন। এ পর্যন্ত শতাধিক চুরি করেছে তারা। কিন্তু মেয়ে সেজে করার কারণে অধিকাংশ সময়ই তাদের শনাক্ত করা যায়নি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরে বাংলা নগর থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, দুইটি মোবাইল ও ১ ভরি ৫ আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দুইটি করে মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


৩৩০
কোটি টাকার মালিক এই স্টারকিড! বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তানের তকমা পেয়ে গেছে
ছোট্ট রাহা কাপুর! আর সে স্টারকিড হচ্ছে ‘রণলিয়া’ খ্যাত
দুই বলিউড তারকা রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের একমাত্র মেয়ে।
কিন্তু
কীভাবে এতো অর্থ জমা পড়েছে ছোট্ট মেয়ে রাহার অ্যাকাউন্টে?
আনন্দবাজার
পত্রিকার এক প্রতিবেদন জানিয়েছে, এই মুহূর্তে মুম্বাইয়ের পালি হিলস্
এলাকায় এক অ্যাপার্টমেন্টের ৯ তলায় থাকেন ‘রণলিয়া’
দম্পতি। এই আবাসনে আলিয়ারও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৩২ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২ কোটি টাকা)। অন্যদিকে,
গত ৩ বছর ধরে বান্দ্রায় নিজেদের বাংলো তৈরি করছেন এই তারকা
দম্পতি। দাদা রাজ কাপুরের ‘কৃষ্ণা রাজ’ বাংলোকেই নতুনভাবে তৈরি করছেন তারা। কাজ প্রায় শেষ, খুব শিগগিরই নিজেদের স্বপ্নের বাড়িতে প্রবেশ করবেন রণবীর-আলিয়া।
আর
এই বাংলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫০ কোটি রুপি তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩০
কোটি টাকা। কারণ, শাহরুখ খানের ‘মন্নত’ ও অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’র সমপরিমাণ বাজারমূল্য এই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোর।
বলিউডের
ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, নিজেদের উপার্জনের অনেকটা অর্থই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোতে বিনিয়োগ করছেন ‘রণলিয়া’। আর বাংলোটি ইতোমধ্যেই মেয়ে রাহার নামে করে দিয়েছেন তারা। সে
হিসেবে রাহা কাপুরই এই মুহূর্তে বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তান।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সাধারণ নির্বাচন ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র
উপ-নির্বাচনে প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ধারণ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সংস্থাটি সে অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাও নিতে বলেছে।
ইসির
নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ-সচিব এম মাজহারুল ইসলাম এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সম্প্রতি
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।
এতে
বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এর ৯ এর উপধারা (২)(ঘ) ও (২)(ঙ)
এর বিধান হচ্ছে, কোনো ব্যক্তি মেয়র বা কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য এবং মেয়র
বা কাউন্সিলর পদে থাকবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি- (ঘ) কোনো ফৌজদারি বা নৈতিক স্খলনজনিত
অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তার মুক্তিলাভের
পর ৫ বছরকাল অতিবাহিত না হয়ে থাকে; (ঙ) প্রজাতন্ত্রের বা সিটি কর্পোরেশনের বা কোনো
সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের বা অন্য কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোনো লাভজনক পদে
সার্বক্ষণিক অধিষ্ঠিত থাকেন।
নির্দেশনায়
আরও বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী ফৌজদারি বা নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে
অন্যূন ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল
হলে এবং আপিল আদালত নিম্ন আদালতের রায় বা সাজা স্থগিত না করলে অযোগ্য বলে সংশ্লিষ্ট
প্রার্থী নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। এক্ষেত্রে উচ্চ আদালত আপিল গ্রহণ করলেও তিনি অযোগ্য
হবেন বা সংশ্লিষ্ট প্রার্থী জামিন পেলেও অযোগ্য হবেন অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট সাজা স্থগিত
বা মওকুফ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অযোগ্য হবেন।
অন্যদিকে
সিটি কর্পোরেশন একটি সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ বিধায় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
পদটি রিট পিটিশন ৯১২৪/২০০৮ এ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক লাভজনক পদ সাব্যস্ত করা হয়েছে।
কাজেই স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৯ এর উপধারা (২)(ঙ) অনুযায়ী
মেয়র পদে অধিষ্ঠিত কোনো ব্যক্তি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণে
অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তবে উক্ত ব্যক্তি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করতে
ইচ্ছুক হলে তাকে উক্ত পদ হতে পদত্যাগ করে প্রার্থী হতে হবে। কাউন্সিলর পদধারীগণ লাভজনক
পদে সার্বক্ষণিক অধিষ্ঠিত নন বিধায় তাদেরকে পদত্যাগ না করে নির্বাচনে প্রার্থী হতে
আইনগত কোনো বাধা থাকবে না।
ইসি
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২ সিটি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৩ ফেব্রুয়ারি,
মনোনয়নপত্র বাছাই ১৫ ফেব্রুয়ারি, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল
১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের
শেষ সময় ২২ ফেব্রুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ ২৩ ফেব্রুয়ারি। আর ভোটগ্রহণ ৯ মার্চ সকাল ৮ টা
থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


৫
টি সাজা ওয়ারেন্ট সহ
মোট ১৫ টি ওয়ারেন্ট
ভূক্ত আসামী মনিরুল ইসলামকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার
করেছে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
চেক ডিজঅনার এর মামলার ৫
টি সাজা ওয়ারেন্ট সহ
মোট ১৫ টি ওয়ারেন্ট
ভূক্ত পলাতক আসামী মোঃ মনিরুল ইসলাম
(৪৫) দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা শহরের
বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। উক্ত আসামীকে
গ্রেফতার করার জন্য কুমিল্লা
জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান এর নির্দেশে কোতয়ালী থানা পুলিশের একটি
টিম কাজ করতে থাকে।
তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় কুমিল্লা কোতয়ালী থানা পুলিশের এসআই
(নিঃ) অরুন চাকমা সঙ্গীয়
এএসআই আরমান হোসাইন দ্বয় উক্ত আসামীর
অবস্থান ঢাকা জেলার রামপুরা
থানাধীন বনশ্রী এলাকায় নিশ্চিত হয়ে সংশ্লিষ্ট থানা
পুলিশ সহ অভিযান পরিচালনা
করে আসামী মোঃ মনিরুল ইসলামকে
বুধবার বিকালে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী থানার দারোগা বাড়ী,
উত্তর চর্থা এলাকার রফিকুল ইসলাম এর ছেলে মোঃ মনিরুল ইসলাম। আসামী মোঃ মনিরুল ইসলাম
এর ০৫ টি মামলায়
বিজ্ঞ আদালত মোট ০৫ বছরের
সাজা বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদানের পাশাপাশি ৪,৯৫,৩২৫০০(
চার কোটি পঁচানব্বই লক্ষ
বত্রিশ হাজার পাঁচশত টাকা) অর্থদন্ড প্রদান করেন। আসামীকে ওয়ারেন্ট মূলে বিজ্ঞ আদালতে
প্রেরন করা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজশাহী-ভাঙ্গা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেন মধুমতী এক্সপ্রেস রুট পরিবর্তন করছে। ১ ডিসেম্বর থেকে ট্রেনটি রুট পরিবর্তন করে নতুনভাবে ঢাকা-রাজশাহী রুটে চলবে।
রেল কর্তৃপক্ষ জানায়, সাপ্তাহিক ছুটির দিন বৃহস্পতিবার অপরিবর্তিত থাকবে।
গত ১৫ নভেম্বর বুধবার বাংলাদেশ রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারের (পশ্চিম) পক্ষে সহকারী অপারেটিং সুপারিন্টেনডেন্ট আব্দুল আওয়ালের সই এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
যাত্রী উঠা-নামার সুবিধা না থাকায় আপাতত ভাঙ্গা জংশন স্টেশনে যাত্রাবিরতি থাকবে না বলে জানায় রেল কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


জামালপুরে যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামি মো. বেলায়েত হোসেন ওরফে বিল্লাল হোসেনকে (৮০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২০১৫ সালের মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার আগে থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রেফতারকৃত যুদ্ধাপরাধী সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ ইউনিয়নের চাঁনপুর হরিনাকান্দা এলাকার মৃত আমির উদ্দিনের ছেলে।
২২জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। ওই যুদ্ধাপরাধীকে সকাল ৮টার দিকে নিজগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জামালপুর পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন আহমেদ জানান, জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তথ্য প্রযুক্তির সহয়তায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ওই পলাতক যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেফতার করেন। তিনি গ্রেফতার এড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর আত্মগোপনে ছিলেন। ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসের ১ তারিখে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাপ আলী বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ওই বছরের ডিসেম্বর মাসের ৯ তারিখে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
ব্যালটপেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম থাকবে বাংলা বর্ণমালার ক্রমানুসারে। আর
সেই অনুযায়ী নামে পাশে থাকবে দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতীক।
৫ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের
পরের দিন এভাবেই প্রার্থীদের নামের তালিকা করে প্রতীক বরাদ্দের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের
নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সংস্থাটির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা
শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান ইতিমধ্যে নির্দেশনাটি পাঠিয়েছেন বলে জানা যায়।
নির্দেশনায় বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৬ এর দফা (৫) ও নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৭ অনুসারে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পরের দিন বিধিমালায় বর্ণিত ‘ফরম-৫’ এ নির্ধারিত তালিকার ২ নম্বর কলামে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার ক্রমানুসারে সাজিয়ে লিপিবদ্ধ করবেন এবং প্রত্যেকের নামের বিপরীতে ৩ নম্বর কলামে মনোনয়ন প্রদানকারী রাজনৈতিক দলের নাম বা স্বতন্ত্র উল্লেখপূর্বক ৪ নম্বর কলামে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পিতা/স্বামীর নাম, ৫ নম্বর কলামে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ঠিকানা এবং ৬ নম্বর কলামে বরাদ্দকৃত প্রতীক উল্লেখ করতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকার নির্দিষ্ট স্থানে ভোটগ্রহণের দিন এবং সময় উল্লেখ করতে হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণের কাজ চলবে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৭অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকার ভিত্তিতে বিধি ১০ অনুসারে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ব্যালট পেপার মুদ্রণ করতে হবে এবং ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নাম, প্রতীক ও ক্রম প্রদর্শনের উপযোগীকরণ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে। তাছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা প্রণয়নের পর তার এক কপি রিটার্নিং অফিসারের অফিসের দৃষ্টি আকর্ষণীয় স্থানে টানিয়ে দিতে এবং প্রত্যেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টকে এক কপি প্রদান করার জন্যও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়, প্রতীক
বরাদ্দের কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তালিকার দুই কপি প্রস্তুত
করে বিশেষ বার্তাবাহক মারফত নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে
হবে। এক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা পাঠাতে যাতে কোনো বিলম্ব না হয়
বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা
নির্ভুল হতে হবে। কারণ তালিকায় ভুল তথ্য পরিবেশিত হলে মুদ্রিত ব্যালট পেপারে তার প্রতিফলন
ঘটবে, যার পরিণতি মারাত্মক হবে। সুতরাং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা প্রণয়নের
সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ব্যালট পেপার মুদ্রণের সুবিধার্থে প্রতিদ্বন্দ্বী
প্রার্থীদের তালিকার উপরিভাগে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার প্রকৃত ভোটার সংখ্যা লিপিবদ্ধ
করতে হবে।
দলীয় প্রার্থীরা দলের প্রতীক পাবেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিধিমালায় সংরক্ষিত প্রতীকের তালিকা থেকে পছন্দমতো প্রতীক পাবেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের একাধিক প্রার্থী একই প্রতীক পছন্দ করলে আলোচনার মাধ্যমে না হলে
লটারি করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করবেন।
ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার
দেবনাথ জানান, ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছিল দুই হাজার ৭১৬টি। এর মধ্যে বাছাইয়ের
সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেছেন ৭৩১টি, যা মোট দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের ২৬ দশমিক
৯২ শতাংশ বা ২৭ শতাংশ। আর বৈধ হয়েছে এক হাজার ৯৮৫টি মনোনয়নপত্র, যা দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের
৭৩ দশমিক ০৮ শতাংশ বা ৭৩ শতাংশ।
আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীরা
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। আর ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর
আপিল নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন। প্রার্থিতা
প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর।
নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রোববার)।
মন্তব্য করুন