

শহুরে
ব্যস্ত জীবনে এখন সম্পর্কের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে কর্মক্ষেত্র। সকালের তাড়াহুড়া, একসঙ্গে
ডেডলাইন সামলানো, সাফল্যের মুহূর্ত ভাগ করে নেয়া, খারাপ দিনে পাশে থাকা, দুপুরের ছোট্ট
কফি বিরতি কিংবা দিনের শেষে ক্লান্ত মুখে ‘আজ অনেক চাপ গেল’,
এভাবেই অজান্তে কাছাকাছি চলে আসেন অনেক সহকর্মী।
একই
অফিসে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতে কাটাতে কখন যে পেশাদার কথাবার্তার ভেতর একটু
আলাদা যত্ন, অপেক্ষা কিংবা ভালো লাগা জন্ম নেয়, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না শুরুতে। এসব
থেকেই অনেক সময় তৈরি হয় নির্ভরতা এবং প্রেম। এখন কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক বা ‘ওয়ার্কপ্লেস
রোমান্স’ আগের চেয়ে অনেক বেশি সাধারণ হয়ে উঠছে।
তবে
অফিসের সম্পর্ক শুধু সিনেমার মতো রোমান্টিক গল্প নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পেশাদারিত্ব,
ব্যক্তিগত সীমারেখা, সহকর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং কর্মপরিবেশের ভারসাম্যও।
সাম্প্রতিক
‘ওয়ার্কপ্লেস রোমান্স স্ট্যাটিস্টিকস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন বলছে, ৬০ শতাংশেরও
বেশি কর্মজীবী মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
এর মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ সম্পর্ক পরিণয়ে গড়িয়েছে। অর্থাৎ, অফিসে শুরু হওয়া সম্পর্কের
অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ
করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, এর বড় কারণ হলো সময়ের পরিবর্তন। এখন মানুষের জীবনের বড় একটা অংশ কাটে কর্মস্থলে।
সকালে বের হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিসেই সময় যায়। ফলে বাইরের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে।
নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও আগের মতো নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই সহকর্মীদের
মধ্যেই তৈরি হচ্ছে কাছাকাছি আসার সুযোগ।
ফোর্বসের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ‘স্বাচ্ছন্দ্যবোধ’।
প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করতে করতে একটা বিশ্বাস
ও মানসিক নিরাপত্তা তৈরি হয়। এছাড়া ৬১ শতাংশ জানিয়েছেন, কাজের বাইরে নতুন মানুষের সঙ্গে
পরিচিত হওয়ার সময় না থাকাও একটি বড় কারণ। তবে অফিসের সম্পর্ক সবসময় সহজ বা সুন্দর অভিজ্ঞতা
হয় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা ধরনের জটিলতাও।
সমীক্ষায়
দেখা গেছে, প্রায় ৫৭ শতাংশ কর্মী মনে করেন, অফিসের সম্পর্ক তাদের কাজের পারফরম্যান্সে
প্রভাব ফেলেছে। কেউ কেউ কাজের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়েছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত
টানাপোড়েন কাজের পরিবেশকেও অস্বস্তিকর করে তুলেছে।
এছাড়া
৫২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, সম্পর্কের কারণে সহকর্মীদের আচরণ বদলে গেছে। অফিসে গুজব,
ঈর্ষা বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও বেড়েছে অনেক ক্ষেত্রে। প্রায় অর্ধেক কর্মী বলেছেন,
সহকর্মীদের মধ্যে তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বা কানাঘুষা চলেছে।
আরও
একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, প্রায় ৩৫ শতাংশ কর্মী তাদের সম্পর্কের বিষয়টি অফিস কর্তৃপক্ষকে
জানান না। কারণ হিসেবে তারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, অস্বস্তি কিংবা চাকরিগত ঝুঁকির কথা
উল্লেখ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। মানুষ যেখানে বেশি সময় কাটায়,
সেখানেই আবেগ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সম্পর্কের কারণে যেন কর্মপরিবেশ, পেশাদারিত্ব
বা অন্য সহকর্মীদের স্বস্তি নষ্ট না হয়, সেই বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ
অফিসের সম্পর্ক শুধু দুজন মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় হয় না, অনেক সময় সেটি পুরো কর্মপরিবেশের
ওপরও প্রভাব ফেলে।
এ
ব্যাপারে সাদমিনা নামের এক তরুণী বলেন, ‘অফিসে একজনকে ভালো লাগে। একসঙ্গে কাজ করতে
করতে কখন যে তার প্রেমে পড়ে গেলাম টেরই পেলাম না। আমরা একসঙ্গে লাঞ্চে যাই, চা খেতে
যাই, কাজের বাইরেও অনেক গল্প হয়। তবে ভালোলাগার কথাগুলো এখনও আদান-প্রদান হয়নি।’
এদিকে
সহকর্মীকে বিয়ে করা শাহরিয়ার নীরব নামের এক যুবক বলেন, ‘আমরা একই অফিসে চাকরি করি।
৫ বছর আগে যখন আমাদের প্রেম হয় তখন আশেপাশের সহকর্মীরা আমাদের দেখে হাসতো, মজা নিতো।
ব্যাপারটা আমরাও বেশ উপভোগ করতাম।’
নীরব
হেসে হেসে আরও বলেন, ‘আমরা যখন প্রেম করতাম তখন অফিসের কাজের চাপ থাকলেও চাপ মনে হতো
না। প্রেয়সীর চোখের দিকে তাকালেই সব ক্লান্তি দূর হয়ে যেত, অফিস ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও
টের পেতাম না।’
সহকর্মীর
সঙ্গে সংসার কেমন কাটছে এমন প্রশ্নের জবাবে নীরব বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। সংসার জীবনের
এত বছরেও প্রেমের প্রথম দিনের মতোই মনে হয় এখনও। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমরা এখনও
সহকর্মী।’
মন্তব্য করুন


হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা রক্ষায় দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রত্যেক বাংলাদেশী অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করবেন এবং অন্যান্য সকল ধর্মাবলম্বীগণ সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন সার্থক ও সুন্দর করে তুলবেন- এই প্রত্যাশা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর।
মন্তব্য করুন


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ইংরেজি নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদি প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা কার্ড পাঠিয়েছেন। তিনি সেখানে লিখেছেন ‘নববর্ষের শুভেচ্ছা’।
মন্তব্য করুন


২৬ আগস্ট ২০২৪ দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী।
এ দিনটিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিবিধ অনুষ্ঠান ও উপাসনালয় সমূহের বিশেষ নিরাপত্তায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর এ তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী জনগণ।
উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সংঘর্ষ ও অন্যায়কে পরাভূত করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা। এই শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে সোনার বাংলা গড়ে তুলবে এই সকলের প্রত্যাশা।
জনগণের এই প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাশে আছে এবং থাকবে।
মন্তব্য করুন


গত ২০ এপ্রিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ৩
ডিগ্রি, মোংলায় ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি, ঈশ্বরদীতে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি, খুলনায় ৪১ দশমিক
২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য স্থানেও মৃদু
থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, এখনো যা বিদ্যমান আছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) আবহাওয়াবিদ মো.
শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ আজ (২৫ এপ্রিল) হতে
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি
বাড়তে পারে।
এর
আগের আরও তিনবার তথা গত ৩, ১৯ ও ২২ এপ্রিল তিন দিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি করা
হয়েছিল। তবে প্রথম দুইবার তাপমাত্রা বাড়ার আভাস ছিল।
চলতি
মাসে টানা তাপপ্রবাহ চলছে। মাঝে অতিতীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেলে বর্তমানে কিছুটা
কমেছে।
২০২৩
সালের ১৬ এপ্রিল আগের ৫৮ বছরের মধ্যে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ, ৪০ দশমিক ৬
ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় ১৯৬৫ সালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ ডিগ্রি
সেলসিয়াসে।
এর আগে ১৯৬০ সালে ঢাকার সর্বোচ্চ
তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এই রেকর্ড
এখনো ভাঙেনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে এ বছর তিন তিনটি ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ল - মোখা, হামুন ও মিধিলি।
আগামী ২৬ নভেম্বর বঙ্গোপসাগরে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা ২৯ নভেম্বরের মধ্যে নিম্নচাপ হয়ে ঘূর্ণিঝড় মিচাং সৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ও জলবায়ু গবেষকরা জানিয়েছেন ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশে আঘাত হানার আশঙ্কা প্রবল ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বলেন, বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা ঘনীভূত হয়ে আগামী তিন দিনে নিম্নচাপ ও পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপটি আগামী ২৬ নভেম্বর সৃষ্টি হতে পারে, যা ২৯ নভেম্বরের মধ্যে নিম্নচাপ হয়ে ঘূর্ণিঝড় মিচাং সৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে আঘাত হানবে কি না, তা ঘূর্ণিঝড়ের গতি-প্রকৃতি দেখে পরবর্তীতে জানা যাবে। এই ঘূর্ণিঝড়টি বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর ওপর দিয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ইন্টিগ্রেটেড পথকস্ট সিস্টেম নামক আবহাওয়া মডেলের পূর্বাভাস বিশ্লেষণে এমন তথ্য দেখা গেছে।
নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী শনিবার থেকে সারা দেশের তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়, আগামী তিন দিন সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশ ও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৪ মে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় মোখা। এরপর ২৪ অক্টোবর দিবাগত রাতে ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানে। এতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলে প্রাণহানি এবং বসতবাড়ি ও ফসলও নষ্ট হয়। তারপর গত ১৮ নভেম্বর আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি।’
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে
শপথ নিয়েছেন আরও চারজন। তাঁরা হলেন ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আলী ইমাম মজুমদার, ড. মুহাম্মদ
ফাওজুল কবির খান ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৪টার
দিকে বঙ্গভবনে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় আরও
উপস্থিত ছিলেন, কয়েকজন উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী, তিন বাহিনীর প্রধান,
বেসামরিক ও সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের
আকার প্রধান উপদেষ্টাসহ ২১ জনে দাঁড়িয়েছে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে
মো. শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭।
রোববার নগরীর চান্দগাঁও থানার একতারা মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
১৮
সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক
(মিডিয়া) তাপস কর্মকার।
তিনি
বলেন, ২০১৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের এক মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন শাহাবুদ্দিন।
তার অনুপস্থিতিতে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। শাহাবুদ্দিন
দীর্ঘ ৮ বছর ধরে দেশের বিভিন্নস্থানে আত্মগোপনে। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার
করা হয়। তাকে চান্দগাঁও থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় আকস্মিক বন্যায় দুর্গত অসহায়
মানুষদের সাহায্যার্থে সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতির সম্মানিত পৃষ্ঠপোষক এবং লেডিস
ক্লাব ও চিলড্রেন ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সারাহনাজ কমলিকা জামান আজ মঙ্গলবার (২৭
আগস্ট ২০২৪) সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি এর
নিকট ১৫ লক্ষ টাকার অনুদান হস্তান্তর করেন। অনুদানকৃত অর্থ প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ
ও কল্যাণ তহবিলে প্রদান করা হবে।
এছাড়াও সকল সেনানিবাসে বিদ্যমান সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতি, লেডিস ক্লাব এবং চিলড্রেন ক্লাবের সদস্যাগণ কর্তৃক স্বেচ্ছায় স্ব-প্রণোদিত হয়ে প্রদত্ত ত্রাণ সামগ্রী, নগদ অর্থ, জামা কাপড়, রেশন, ঔষধ, শুকনা খাবার লেডিস ক্লাব, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এসময় সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতির পৃষ্ঠপোষক এবং লেডিস ক্লাব ও চিলড্রেন ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং সমাজের সর্ব স্তরের জনসাধারণকে বন্যার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতি, লেডিস ক্লাব এবং চিলড্রেন ক্লাব ঢাকা অঞ্চলের সভানেত্রীগণসহ সেনাসদরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


খেজুরের রসে মারাত্মক প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর খেজুরের রস বিক্রেতাদের কাঁচা রস বিক্রি বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছে ।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (জুনোটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম) ডা. শ. ম. গোলাম কায়ছার স্বাক্ষরিত জরুরি এক স্বাস্থ্য বার্তায় অধিদপ্তর জানায়, নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যুর হার প্রায় ৭০ শতাংশেরও বেশি। ২০২২-২৩ সালে দেশে এই রোগে আক্রান্ত ১৪ জনের মধ্যে ১০ জনই মৃত্যুবরণ করেন। তাই প্রতিরোধই হচ্ছে এই রোগ থেকে বাঁচার উপায়।
এতে বলা হয়েছে, নিপাহ একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক প্রাণঘাতী রোগ। সাধারণত শীতকালে নিপাহ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। কাঁচা খেজুরের রসে বাদুড়ের বিষ্ঠা বা লালা মিশ্রিত হয় এবং ওই বিষ্ঠা বা লালাতে নিপাহ ভাইরাসের জীবাণু থাকে। ফলে খেজুরের কাঁচা রস পান করলে মানুষ নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে যে কেউ।
স্বাস্থ্য বার্তায় আরো বলা হয়েছে, বর্তমান সময়ে বড়দের পাশাপাশি শিশু-কিশোরেরা নিপাহ ভাইরাসে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তাই খেজুরের কাঁচা রস সংগ্রহ, বিক্রয় ও বিতরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গাছিকে এবং জনসাধারনগণকে প্রাণিবাহিত সংক্রামক ব্যাধি রোগ নিপাহ ভাইরাস সম্পর্কে অবহিত করা হলে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
বিজ্ঞপ্তিতে খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড় খেতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
অধিদপ্তর বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানায়,নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যুর হার প্রায় ৭০ শতাংশেরও বেশি। ২০২২-২৩ সালে দেশে এ রোগে আক্রান্ত ১৪ জনের মধ্যে ১০ জনই মৃত্যুবরণ করেন। অধিদপ্তর জানায়, প্রতিরোধই হচ্ছে এই রোগ থেকে বাঁচার উপায়। খেজুরের রস বিক্রেতাদের প্রতি অনুরোধ কেউ কাঁচা রস খেতে চাইলে বিক্রি করবেন না।
নিপাহ রোগের প্রধান লক্ষণ সমূহ :
১. জ্বরসহ মাথা ব্যাথা
২. খিচুনি
৩. প্রলাপ বকা
৪. অজ্ঞান হওয়া
৫. কোনো কোনো ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট হওয়া
নিপাহ রোগ প্রতিরোধে করণীয় :
১. খেজুরের কাঁচা রস খাবেন না
২. কোনো ধরনের আংশিক খাওয়া ফল খাবেন না
৩. ফল-মূল পরিস্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে খাবেন
৪. নিপাহ রোগের লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে অতি দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাবেন
৫. আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসার পর সাবান ও পানি দিয়ে দুই হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলবেন
মন্তব্য করুন


সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সরকার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশে দুই জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) পরিবর্তন করেছে । এর মধ্যে ময়মনসিংহের ডিসি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রত্যাহার করে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে বদলি করা হয়েছে। আর সুনামগঞ্জের ডিসি দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরীকে বদলি করে ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে।
সুনামগঞ্জের ডিসি করা হয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরীকে।
গতকাল শনিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত জারি করা প্রজ্ঞাপনে আভাস মিলেছে, ডিসি-এসপিদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠলেই তাদের বদলি করা হতে পারে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দেশের সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ওসিদের বদলির সিদ্ধান্ত নেয় ইসি।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন) মো. আমিন উল আহসান বলেন, যদি কোনো ডিসির বিরুদ্ধে কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেন, তাহলে তা নিয়ে আমরা ইসির সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। ময়মনসিংহের ডিসিকে কেন প্রত্যাহার করা হয়েছে জানতে চাইলে বলেন, বিষয়টি আমি জানি না। এটি ইসি ও জনপ্রশাসনের সিদ্ধান্ত।
ইসি, জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে আরো জানা গেছে, মাঠ প্রশাসনের সব স্তরেই বিশেষ করে ডিসি-এসপি পদে ব্যাপক রদবদল হতে পারে। কারণ যেসব ডিসি-এসপি এক বছরের কম-বেশি সময় ধরে বর্তমান কর্মস্থলে আছেন, তাদের সঙ্গে স্থানীয় রাজনীতিকদের একটি সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচনে এ সুসম্পর্ক অনেকেই কাজে লাগিয়ে ভোটের ফলে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাতে পারেন। তাই ইসি মনে করছে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হলে মাঠ প্রশাসনের সব স্তরের কর্মকর্তাদের বদলি করা জরুরি।
এমন সিদ্ধান্ত থেকেই প্রথম পর্যায়ে যেসব ইউএনও তার কর্মস্থলে এক বছর ধরে আছেন, তাদের বদলি করা হবে। আর যেসব ওসি ছয় মাস ধরে একই থানায়, তাদেরও বদলির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এক বছর বা তার কাছাকাছি সময় একই জেলায় আছেন—এমন ডিসিদেরও বদলির চিন্তা আছে ইসির। তবে কোনো ডিসি-এসপির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তাকে বদলি করা হবে।
এছাড়া ছয় মাস বা তার চেয়ে বেশি সময় ধরে এক জেলায় আছেন—এমন এসপিদের বদলি করা হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, বদলির বিষয়টি অস্বাভাবিক কিছু নয়। ডিসি-এসপিদের বদলির সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এমন কিছু আমার জানা নেই। যদি ইসি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে হতেও পারে। এটি অস্বাভাবিক কিছু নয়। আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচন সুষ্ঠু করতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে জনপ্রশাসন সচিব ও জননিরাপত্তা সচিবকে লেখা চিঠিতে ইসি লিখেছে, পর্যায়ক্রমে সব ইউএনও এবং ওসিদের বদলি করা হবে। প্রথম পর্যায়ে যেসব ইউএনওর বর্তমান কর্মস্থলে এক বছরের অধিক চাকরিকাল হয়েছে, তাদের অন্য জেলায় বদলির প্রস্তাব ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ইসিতে পাঠাতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ছয় মাসের বেশি সময় ধরে এক থানার দায়িত্বে রয়েছেন—এমন ওসিদের বদলির প্রস্তাবও পাঠাতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ২২ নভেম্বর ইসি মো. আলমগীর জানিয়েছিলেন, যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রশাসনে রদবদল হবে না। এর এক সপ্তাহ পরই গত বৃহস্পতিবার ইউএনও-ওসিদের বদলির সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইসি। এ বিষয়ে কর্মকর্তারা জানান, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে মাঠ প্রশাসনে বদলির রেওয়াজ রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকেন ডিসি-ইউএনও। নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে থাকেন ডিসি। আর সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন ইউএনও। পুরো নির্বাচন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলান জেলার এসপি এবং ওসিরা।
আরপিও অনুযায়ী নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তপশিলের পর সরকার চাইলেও বদলি করতে পারে না। বদলির জন্য কমিশনের অনুমতি লাগে। কমিশনের যদি মনে হয় কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর আচরণ নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিপক্ষে, তখন তাকে বদলি করতে পারে।
তফশিল অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল গত ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষ হবে ৪ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ আগামী ১৭ ডিসেম্বর আর প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৮ ডিসেম্বর।
মন্তব্য করুন